নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের বিষ দাঁত ভেঙ্গে দিতে হবে- রাজনীতির মুক্তমঞ্চের বিজয় উৎসবে বক্তারা

মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো ইতিহাসের উজ্জ্বলতম দিন, রক্তমাখা দিন। আমরা সেই গর্বিত ইতিহাসকে ভুলতে বসেছি। জ্ঞানের আলোকবর্তিকার মাধ্যমে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় সেই গৌরবময় ইতিহাসকে সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে হবে। রাজনীতির মুক্তমঞ্চ এই কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

গত ১ ডিসেম্বর ২০১৯ বিকাল সাড়ে চারটায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবস্থ ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে রাজনীতির মুক্তমঞ্চের উদ্যোগে বিজয় উৎসবের আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথাগুলো বলেন।

রাজনীতির মুক্তমঞ্চের প্রধান সমন্বয়ক কল্যাণ চক্রবর্তী’র সঞ্চলনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক পূর্বদেশের যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের মুহম্মদ।

পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. ইঞ্জি: মফজল আহমদ’র সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সি প্লাস টিভির চীফ রিপোর্টার খোরশেদুল আলম শামীম, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক দিদারুল আলম, জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন বাবর, চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, ১১ নং দক্ষিণ কাট্টলি ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদিকা নার্গিস আক্তার নিরা।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার মাধ্যমে মাসব্যাপী এই অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন হয়। এবার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. লকিতুল্লাহ ও শান্তি রঞ্জন চক্রবর্ত্তী কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন রাজনীতি মুক্তমঞ্চের সমন্বয়ক দুলাল সরকার। এতে আরও বক্তব্য রাখেন ডা. দুলাল কান্তি চৌধুরী, মো. ইউনুস চৌধুরী, শিবু সেনগুপ্ত, টিংকু পালিত, যুবলীগ নেতা ইব্রাহীম বাপ্পী, ফয়সাল রুবেল, আবদুল আউয়াল অপু, মিঠু দে, সানি মহাজন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি আবু তাহের মুহম্মদ বলেন, নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর একটা অতীত আছে যাকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দাঁড় করানো যায় না। বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ এক ও অভিন্ন। এই চেতনার সাথে যোগসূত্র স্থাপন করেছে মুক্তিযুদ্ধে অমর শ্লোগান জয় বাংলা।

সভাপতি প্রফেসর ড. ইঞ্জি: মফজল আহমদ বলেন, জয় বাংলা শব্দটি আমাদের কাছে অমর সংগীতের মতো। কেননা এ শব্দটি যতই শোনা যায় ততই ভাল লাগে। স্বাধীনতা দিবস জাতিকে নতুন করে বাঁচতে শেখায়, অত্যাচার ও শোষণের কালো হাত গুঁড়িয়ে দিতে, অধিকার আদায়ে আত্মসচেতন করে তোলে। বিশেষ অতিথিবৃন্দ বলেন, বিজয় সংগ্রামের এ দিনটিতে উঁকি দেয় অসাম্প্রদায়িক, সন্ত্রাসমুক্ত শ্যামল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়।

অনুষ্ঠানে বেশ কজন সংগঠককে স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।