Site icon CPLUSBD.COM

বাংলাদেশে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে আগ্রহী কাতার

কাতারের জ্বালানি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সাদ সারিদা আল কাফি বুধবার সকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানান।

পরে নসরুল হামিদ বলেন, “কাতার সরকার বিশেষ করে এনার্জি সেক্টরে বিনিয়োগ করতে চায়। পায়ারাতে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে চাচ্ছে, পায়রাতে তারা ল্যান্ডবেইজ এলএনজি টার্মিনাল করতে চায়।

“ইতিমধ্যে মাতারবাড়িতে যে এলএনজি টার্মিনাল হতে যাচ্ছে, যেটার জন্য টেন্ডার করা হয়েছে, সেখানেও কাতার দরপত্র জমা দিয়েছে। সে বিষয়েও তারা আলোকপাত করেছে। এলএনজি বেইজ পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং এলএনজি সাপ্লাইসহ তারা পুরো প্যাকেজে বিনিয়োগ করতে চায়।”

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, মাতারবাড়ি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে মোট ১২টি দরপত্র পড়েছে।

“তারা (কাতার) এলএনজি পাওয়ার প্ল্যান্টে ইনভেস্টম্যান্ট করবে, কেবল তাই নয়। তার সাথে গ্যাসও নিতে চায় এবং তাছাড়া তারা টার্মিনাল তৈরি করতে চায়। একটা বড় ইনভেস্টম্যান্ট ফর এ লং টাইম।”

কাতারের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বষিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, “আমি তাদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগগুলো বলেছি। তাদেরকে বলেছি যে ইকোনোমিক জোন থেকে শুরু করে অনেক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

“কাতারের প্রতিমন্ত্রী কথা দিয়েছেন উনি দেশে যাওয়ার পরে সবার সঙ্গে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন।”

বিনিয়োগের জন্য তারা এখন বাংলাদেশকে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে ভাবছে বলেও জানান  তিনি।

শিপ কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিসয়ে এক প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এখন অফ সিজন.. আমি মনে করি ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল কমারশিয়াল গ্রোথটা আরেকটু দ্রুত ও বড় হওয়া উচিত..আমাদের যে মস্টারপ্ল্যান আছে সেই বিবেচনায়।

শিল্প মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “তারাও ‍নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চাচ্ছেন। তারা বলছেন, ‍নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেলে গ্রোথ হবে।

“সেদিকেও চেষ্টা করা হচ্ছে এবং নতুন কমিটি বানিয়েছি। দেখা যাক আগামি বছর হয়তো আরও ভালো হবে।”