দক্ষিন চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পূজামন্ডপে বান্দরবানে হিন্দু ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাৎসব উদযাপিত হচ্ছে । জেলায় এবার কেন্দ্রীয়ভাবে দুর্গাৎসব উদযাপন কমিটির ব্যানারে ২৭টি এবং স্থানীয়ভাবে আরো প্রায় ৪৫টি মন্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শনিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ৭টায় স্থানীয় রাজারমাঠে মায়াপুরী রাজপ্রসাদ আদলে গড়ে তোলা আকর্ষণীয় শারদীয় দূর্গাৎসবের পরিদশর্ন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি লক্ষীপদ দাসের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, ৬৯ সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শাহিদুল এমরান, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ শফিউল আলম, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার, পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আব্দুল আজিজ, পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইয়াছির আরাফাত, উৎসব উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দাশ শেখরসহ সনাতন ধর্মালম্বীরা ।
উদযাপন কমিটির সভাপতি লক্ষীপদ দাস জানায়, জেলার সাত উপজেলায় সার্বজনীন শারদীয় দুর্গা উৎসব উদযাপন কমিটির ব্যানারে ২৭টি এবং স্থানীয়ভাবে ৪৫টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। তারমধ্যে সদর উপজেলায় ১১টি, রোয়াংছড়িতে ২টি, রুমায় ১টি, থানছিতে ১টি, লামায় ৭টি, আলীকদমে ৩টি, নাইক্ষ্যংছড়িতে ২টি মন্ডপে কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত হচ্ছে।
এ সময় পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বলেন, ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসবের আনন্দ সবার। প্রতিবছর বান্দরবানে স্থানীয় রাজারমাঠে আকর্ষণীয় পূজা মন্ডপ তৈরি করে হিন্দু ধর্মালম্বীরা শারদীয় দূর্গাৎসব আয়োজন করে। দেশের বিভিন্নস্থান থেকে এখানে পূজা দেখতে মানুষ ভীড় জমায়। এবারও শান্তিপূর্ণভাবে এখানে শারদীয় দূর্গাপুজা উৎসব সম্পন্ন হবে। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।








