আদালত প্রতিবেদক: বায়েজিদ বোস্তামীর মাজারের এস্টেটে ৫০টি দোকান বরাদ্দের নামে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দরগাহ ওয়াকফ এস্টেটের পরিচালনা কমিটির সাবেক সেক্রেটারিসহ চারজনের বিরুদ্ধে আনীত দুদকের করা দুর্নীতি মামলায় দুইজনের জামিন আবেদন মন্জুর করেছেন আদালত।
২৩ আগস্ট সোমবার মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত আসামী পক্ষে আগাম জামিন আবেদনের প্রেক্ষিতে দুইজনের জামিন মন্জুর করেন।
আজ আগান জামিন প্রাপ্ত আসামীরা হলেন মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. হারুনুর রশিদ।
আদালতে দুদক পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মাহমুদুল হক (মাহমুদ) এবং আসামী পক্ষে ছিলেন রেজাউল করিম চৌধুরী (রেজা)।
মামলার মোট আসামি চারজন। তারা হলেন: আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম, ইয়াজ্জেম হোসেন রোমেন ও মো. হারুনুর রশিদ।
এই দিকে মামলায় প্রধান আসামি আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (র.) দরগাহ শরীফ ওয়াকফ এস্টেটের পরিচালনা কমিটির সাবেক সেক্রেটারি।
দুদকের কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বলেন, ‘দুদকের এক অনুসন্ধানে বায়েজিদ বোস্তামী দরগাহ শরীফের দোকান বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় এ মামলা করা হয়েছে।’
দুদকের এক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, দরগাহ শরীফ ওয়াকফ এস্টেটের পরিচালনা কমিটি ওয়াকফ প্রশাসনের মসজিদ ও বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়ার আগেই একটি ডেভেলপার কোম্পানির সঙ্গে ‘অবৈধ চুক্তি’ করেন ২০১৯ সালের সেপ্টেম্ব পর্যন্ত সেক্রেটারির পদে থাকা আনোয়ারুল।
এছাড়া সরকারের ক্রয়-বিক্রয় নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট আইন ভঙ্গ করে পুরাতন মসজিদের মালামাল বিনা দরপত্রে বিক্রি এবং ডেভেলপার কোম্পানি প্রস্তাবিত বাণিজ্যিক ভবনের দোকানের পজেশন হস্তান্তরের নামে ৪৬ জনের কাছ থেকে সালামির প্রথম কিস্তি বাবদ ৫ লাখ টাকা করে নিয়ে মোট ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ‘আত্মসাৎ’ করার প্রমাণ মেলার কথা বলা হয় দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে।








