Site icon CPLUSBD.COM

বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী

সিপ্লাস প্রতিবেদক: আকবরশাহ থানার একটি নাশকতার এক মামলায় কারাবন্দি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার(১০জুন) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতেৱ ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন রিমান্ড ও জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আকবরশাহ থানা নাশকতার মামলায় সোমবার (৭ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসেন মোহাম্মদ রেজার ভার্চুয়াল আদালতে আসলাম চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।  তৎপ্রেক্ষিতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট হোসেন মোহাম্মদ রেজা পুলিশের রিমান্ড আবেদন আজ ১০ জুন শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

যথারীতি ভার্চুয়াল কোর্টে শুনানি শেষে রিমান্ড ও জামিন উভয় আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট হাসিনা বেগম বলেন, আকবরশাহ থানাৱ নাশকতার মামলায় আসামি পক্ষের সম্পৃক্ততা না থাকায় পুলিশের ৫ দিনের রিমান্ড নামঞ্জুর করেছে আদালত। আসামিপক্ষের জামিন দরখাস্ত উচ্চ আদালতে প্রেরণ করা হবে।

ভারতে গিয়ে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এক কর্মকর্তার সঙ্গে ‘সরকার উৎখাতের’ জন্য আলোচনা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালে দিল্লি ও আগ্রার তাজমহল এলাকায় ইসরায়েলের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল ডিপ্লোমেসি অ্যান্ড অ্যাডভোকেসির প্রধান লিকুদপার্টির নেতা মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে আসলাম চৌধুরীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা-সাক্ষাতের বেশ কিছু ছবি প্রকাশিত হলে দেশ-বিদেশে তোলপাড় হয়।

২০১৬ সালের ১৫ মে সন্ধ্যায় রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকে আসলাম চৌধুরী ও তার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আসাদুজ্জামান মিয়াকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (উত্তর)। পরে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরদিন ১৬ মে ৫৪ ধারায় (মোসাদ কানেকশনে সরকার উৎখাতে ষড়যন্ত্রের সন্দেহ) গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের দুইজনের ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আদালত ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর ওই বছরের ২৬ মে আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় দায়ের করা হয় রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলাটি। দণ্ডবিধির ১২০ (বি), ১২১ (৩) ও ১২৪ (এ) ধারায় ডিবির ইন্সপেক্টর গোলাম রাব্বানী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। পরে ওই মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন।