নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপি নেতা শাহাদাতকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

ctg news

সিপ্লাস প্রতিবেদক: চাঁদা দাবির মামলায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেনকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে চট্টগ্রামের আদালত।

বুধবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মহিউদ্দিন মুরাদের আদালতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।

শাহাদাত হোসেনের আইনজীবী এনামুল হক বলেন, “১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন।”

এদিন শাহাদাতের পক্ষে জামিনের আবেদন আদালত তা নামঞ্জুর করে।

শাহাদাতকে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সারোয়ার জাহানের আদালতে হাজির করে চাঁদা দাবির মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল।

নগরীর কোতোয়ালী থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় শাহাদাতকে রিমান্ডে চাওয়া হয়নি।

তবে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা ওই মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপির অন্য ১৫ নেতাকর্মীকে রিমান্ডে চাওয়া হয়েছিল।

মহানগর হাকিম হোসেন মোহাম্মদ রেজার আদালতে ওই আবেদনের বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে পুরুষ ১১ জনের প্রত্যেকের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

আর নারী চারজনের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করা হয় বলে জানান আইনজীবী মো. এরফানুর রহমান।

যে ১১ জনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে তারা হলেন- শাহাদাতের ব্যক্তিগত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী মারুফ, আব্দুল মোতালেব ওরফে কিং মোতালেব, মো. ফিরোজ, তারেক আজিজ, মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক, সাইদ তানজিম মাহমুদ, আব্দুর রহিম ওরফে মিনার, আলি আকবর হোসেন, মো. লিটন, হায়দার হোসেন ও সাকিব হোসেন।

গ্রেপ্তার চার নারী হলেন- মহিলা দল নেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি, আঁখি সুলতানা, দেওয়ান মাহমুদা আক্তার লিটা এবং ফাতিমা কাজল।

সোমবার বিকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে আসা মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১৫ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

এরপর সন্ধ্যায় পাঁচলাইশ এলাকার বেসরকারি ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে নিজ চেম্বার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনকে। যদিও এর আগে নিজ দলীয় নারী নেত্রী লুসি খান তার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকার চাঁদা দাবির মামলা করেন।

এরপর সোমবার রাতে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইটি মামলা করে পুলিশ।

যেখানে শাহাদাত হোসেন, দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোতোয়ালী থানায় পুলিশের করা মামলায় শাহাদাতসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

কাজীর দেউড়ি মোড়ে ট্রাফিক বক্সে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় ট্রাফিক বিভাগের এক সার্জেন্ট এই মামলা করেন।