সিপ্লাস ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আইনের যথাযথ প্রযোগের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আপনারা নিবেদিত থাকবেন, জনগণের পাশে থাকবেন, মানুষ যেন ন্যায়বিচার পায় সেটা নিশ্চিত করবেন। বিচারের বাণী যেন নিভৃতে না কাঁদে। কারণ আমি তার ভুক্তভোগী।’
বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১১৯ এবং ১২০তম আইন ও প্রশাসন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।
জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছি, আমার বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী না, জনগণের সেবক হিসেবে দেখি। আমি মনে করি এই দায়িত্ব আমার, জনগণের সেবা করা। আপনাদের কাছেও আমি এটা চাই, আপনারা জনগণের সেবক হিসেবেই কাজ করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর খুনিদের রক্ষায় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচার চাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার কথা এ সময় স্মরণ করিয়ে দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর সেই আইনটি বাতিল করে দিয়ে খুনিদের বিচার করে এবং বিচারের রায়ও কার্যকর করে।’
জাতির পিতার সময়ই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের বিষয় ১৯৭৫ এর পর সেটাও বাতিল করে দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের এবং রাজাকার, আল বদর, যারা বাহিনী প্রধান, তাদেরকে ক্ষমতায় আনা হয়েছিল।’
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর মোমিনুর রশিদ আমিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

