সিপ্লাস প্রতিবেদক: বিধিনিষেধ শেষে আগামী ১১ আগস্ট থেকে সরকার সবকিছুই খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ঘোষণার পর থেকেই চট্টগ্রাম নগরীতে বেড়েছে মানুষের কর্মচঞ্চলতা এবং সড়কে বেড়েছে গাড়ির চলাচলও।

সোমবার ( ৯ আগস্ট) সকাল থেকেই নগরীর চার প্রবেশপথ অক্সিজেন, নতুন ব্রিজ, কাপ্তাই রাস্তার মাথা ও সিটি গেইট এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়াও হালকা গণপরিবহন এবং মানুষের আনাঘোনা চোখে পড়ে। নগরে প্রবেশ ও বের হতে তেমন প্রশাসনের তৎপরতা দেখা যায়নি।

রিয়াদ নামে এক বেসরকারি চাকুরীজীবী সিপ্লাসকে বলেন, আমি প্রতিদিন লালখান বাজার থেকে আগ্রাবাদ যায়। হয় রিকশা করে না হয় পায়ে হেটে। তবে বেশিরভাগ পায়ে হেটে যায়। কারণ প্রতিদিন রিকশা করে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। কেননা লালখান বাজার মোড় থেকে আগ্রাবাদ যেতে রিকশা ভাড়া লাগে ৬০/৭০ টাকা। আজ সোমবার থেকে কিছু গণ পরিবহন চলছে।
তবে গার্মেন্টস এর শ্রমিক পরিবহনের নামে এ সব বাস চলছে। তাতে করে আমার মত অনেকেই আছে অন্তত ১০ টাকা দিয়ে নিজের কর্মস্থলে যেতে পারছে। জেনেছি আগামী ১১ আগস্ট বুধবার থেকে সরকার সব কিছু খোলে দিয়েছে এবং গণপরিবহন ভাড়াও আগের মত নির্ধারণ করে দিয়েছে।
দায়িত্বরত কয়েকজন ট্রাফিক সাজেন্ট সিপ্লাসকে বলেন, এত কঠোর লকডাউনেও আমরা কত গাড়ি আটক আর মামলা দিয়েছি। তারপরও হচ্ছে না। এখনও স্বাস্থ্যবিধিনিষেধ অমান্য আর ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার জন্য মামলা দিচ্ছি।
চট্টগ্রাম ট্রাফিক উত্তর বিভাগের এডিসি মো: রাশেদুল ইসলাম সিপ্লাসকে বলেন, সরকাররি বিধিনিষেধ শেষে না হওয়া পর্যন্ত অনড় অবস্থানে আছে এবং থাকবে ট্রাফিক বিভাগ।








