হাটহাজারী প্রতিনিধিঃ গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী দিবসে হাটহাজারীতে পুলিশ – হেফাজত সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় আজ রবিবার সারাদেশে হেফাজতের সকাল- সন্ধ্যা হরতাল চলাকালে বেলা আড়াইটায় রাস্তায় আসেন হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবু নগরী।
এ সময় তিনি দেশবাসীকে সতঃস্ফুর্ত হরতাল পালন করায় অভিনন্দন জানিয়ে কাচারী সড়কের ত্রিবেনী মোড়ে রাস্তায় তিনি সাংবাদিকদেরকে এক প্রেস ব্রিফিং এ বলেন ২৬ শে মার্চ হেফাজত কর্মীদের মিছিল ছিল শান্তিপূর্ণ। সে মিছিলে পুলিশ গুলি চালিয়ে আমাদের তিনজন ছাত্র এবং একজন তাবলীগী নিরীহ কর্মজীবিকেসহ ৪ জনকে শহীদ করেছে। এ পর্যন্ত বি বাডিয়া ঢাকাসহ সারা দেশে ১৬ জনকে শহীদ করা হয়েছে।
আমরা এজন্য হরতালের ডাক দিয়েছি। শান্তিপূর্ণ এবং সুশৃংখলভাবে হরতাল পালিত হচ্ছে। সারা দেশে জনগন, আলেম ওলামা এ হরতালে সাড়া দিয়েছে, অংশগ্রহন করেছে। তাই সবাইকে শুকরিয়া জানাচ্ছি অভিনন্দন জানাচ্ছি।
ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ হলে, জুলুম নির্যাতন হলে আমরা আলেম ওলামা, তৌহিদি জনতা এভাবে ঝাপিয়ে পড়বো। আমাদের হরতাল জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে, বর্বরতার বিরুদ্ধে, ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ইনসাফের পক্ষে জুলুমকারীদের বিপক্ষে।
আজ হরতাল চলাকালে হেফাজতের কেন্দ্রিয় নায়েবে আমীর মধুপুরের পীর আল্লার ওলি আবদুল হামিদের উপর হামলা ও গুলি করা হয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন,আজকে হরতালও শান্তিপূর্ণ ভাবে চলছে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। কিন্তু দূঃখজনক হলো সারা দেশে ক্যাডার বাহিনী বেশ কয়টি মাদরাসায় হামলা করেছে। জামিয়া ইউনুছিয়া বি বাড়িয়ার মাদরাসা, সাইনবোর্ড মাসদরাসা ঢাকা, যাত্রাবাড়ি মাদরাসা ঢাকাসহ আরো বহু মাদরাসায় হামলা করা হয়েছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবী এ হামলা বন্ধ করতে হবে।নিহতদের ক্ষতি পূরণ দিতে হবে। আহতদের সুচিকিৎসা দিতে হবে। গ্রেফতারকৃতদের বিনাশর্তে মুক্তি দিতে হবে।
এভাবে যদি হামলা হয়, হামলা যদি বন্ধ না হয়,আমাদের দাবীগুলো যদি আদায় না হয় তাহলে পরামর্শক্রমে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। পরে হেফাজত আমীর হাটহাজারী পৌরসভার জাগৃতি চত্বরে পিকেটিং ও পথ সভায় অংশগ্রহণ করে সেখানেও বক্তব্য রাখেন।








