
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য রাজনীতিবিদ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনা গেলে জনসংখ্যা বোঝা না হয়ে জনসম্পদে পরিণত হবে। আমাদের দেশে প্রচুর জনসংখ্যা। কিন্তু কাজের জন্য যোগ্য (স্কিলড) মানুষ পাওয়া যায় না। এক তথ্যে দেখা যায়-দেশের মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ স্কিলড। আর ৯০ ভাগ মানুষ আনস্কিলড। বিদেশিরা এই সুযোগটাই কাজে লাগাচ্ছে। বাংলাদেশের বহু প্রতিষ্ঠানে বিদেশিদের হায়ার করে আনতে হচ্ছে। প্রতিবছর বিশাল অংকের টাকা তারা আমাদের দেশ থেকে রেমিটেন্স হিসেবে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ, আমাদের দেশে স্কিলড মানুষ থাকলে এই বিশাল অংকের টাকা দেশের বাইরে যাওয়া রোধ করা যেতো।
চট্টগ্রামে একটি পূর্ণাঙ্গ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড স্থাপনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিমিত্তে ‘চট্টগ্রাম কারিগরী শিক্ষাবোর্ড বাস্তবায়ন পরিষদ’ গঠনকল্পে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গত ২১ জানুয়ারি নগরীর মোমিন রোডস্থ বঙ্গবন্ধু ভবনের চট্টলবন্ধু এস.এম জামাল উদ্দিন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সূচনা বক্তব্যে আমরা করবো জয়-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি বলেন, চট্টগ্রামে একটি পূণাঙ্গ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড স্থাপন সময়ের দাবি। এই সময়ের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে চট্টগ্রামের সচেতন সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
আইডিইবি’র সদস্য ও রাউজান উপজেলা আহ্বায়ক এবং আরআইটি’র প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মো. আবদুল বাতেনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও মরমী গবেষক এস.এম সিরাজুদ্দৌলা, বাঁশখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হামিদুল হক, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামালউদ্দীন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি চট্টগ্রাম জেলার কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক মো. অলিদ চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাবিব উল্ল্যাহ চৌধুরী ভাস্কর, আর্টের সিইও তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা মুহাম্মদ মামুন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার কাজী মোহাম্মদ অলিউল্লাহ প্রমুখ।







