ইয়াসিন চৌধুরী, বোয়ালখালী: চট্টগ্রাম বোয়ালখালী গোমদন্ডী তুলাতল-১৩নং পুল পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা, নজর নেই কর্তৃপক্ষের। ধান ও কচুর চারা রোপণ করে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ। কর্তৃপক্ষ বলছে রেলওয়ের বাধার কারণে সড়ক সংস্কার বিলম্ব হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বোয়ালখালী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড পূর্ব গোমদন্ডী রেল স্টেশন সংলগ্ন পৌনে তিন কিলোমিটার সড়কটি নাজুক অবস্থা। সড়কের বেশ কিছু অংশ প্রচুর বৃষ্টির কারণে কাদামাটিতে পরিণত হয়েছে। এতে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে সড়কে ধান ও কচু চারা রোপন করে দেয়।
স্থানীয় খালেক ভান্ডারী সিপ্লাসকে বলেন, দীর্ঘদিন এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় কাউন্সিলর সুনীল চন্দ্র ঘোষকে এ বিষয়ে অবগত করলে তিনি সড়কের মাপ নিয়ে যায়। এরপর আর কোনো খবর নাই। এই বৃষ্টি বাদলের দিনে রাস্তাটিতে একটি রিক্সা নিয়েও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। তাই আমরা ধান ও কচু চারা রোপন করে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মফিজ নামের এক পথচারীর সাথে কথা হলে তিনি সিপ্লাসকে জানান, ভাগ্যিস রেল চলাচল আপাতত বন্ধ আছে না হয় কত মায়ের বুক খালি হত আল্লাহ জানে। কারণ ট্রেন থেকে যাত্রীরা নেমে যে রাস্তা দিয়ে গন্তব্য যাবে সেই রাস্তার যে নাজুক অবস্থা। এখন তো ট্রেন না চলার কারণে জীবন ঝুঁকি নিয়ে রেলপথ দিয়ে মানুষ চলাচল করছে। ট্রেন চলাচল শুরু হলে যেকোনো সময় হতে পারে বড় দূর্ঘটনা।
স্থানীয় সাংসদের সুপারিশের মাধ্যমে এলজিইডি প্রকল্প দেওয়া হলেও রেল কর্তৃপক্ষের বাধাই সড়কের নির্মাণ কাজ হয়নি বলে জানান ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুনীল চন্দ্র ঘোষ।
তিনি আরো বলেন, এই সড়কটি গোমদন্ডী তুলাতল থেকে কালুরঘাট টোল অফিস পর্যন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। আপাতত পৌরসভা থেকে শীঘ্রই সংস্কার করা হবে।
এবিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী ফারুক হোসাইন জানান, ২০০৯ সাল থেকে এই সড়কটির জন্য বহুবার পদক্ষেপ নেওয়া হলেও রেলওয়ের বাধার কারণে প্রকল্পটি বাদ পড়ে যায়। বর্তমানে এটি পৌরসভা আওতাধীন হওয়ায় আমরা এটি সংস্কার করতে পারছি না।
তবে বর্তমান সাংসদ মোছলেম উদ্দীন আহমদের নির্দেশে কয়েক মাস আগে আমরা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিয়ে হাজির হয়েছি এবং প্রকল্পটি আবার পাঠানো হয়েছে। সেটা কালুরঘাট ব্রিজের ১২মিটার উচ্চ বৃদ্ধি করা প্রস্তাবের কারণে এইবারও প্রকল্পটি বাদ পড়ে যায়।
এদিকে পৌর মেয়র বলছেন, দুই একদিনে মধ্যে সড়কটি সংস্কার করা হবে।








