বোয়ালখালী প্রতিনিধিঃ বোয়ালখালীতে গৃহবধূ নিগার সুলতানা পুষ্পার হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
শুক্রবার (১ অক্টোবর) বিকেলে শাকপুরা চৌমুহনীতে কয়েক’শ মানুষের অংশগ্রহনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানবন্ধনে বক্তারা বলেন,এটি কখনও আত্মহত্যা হতে পারে না। ঝুলানো অবস্থা থেকে লাশ নামানোর সময় পা খাটের উপর ছিল। এছাড়া নিহত পুষ্পা যদি দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁসির দড়ি লাগায় তাহলে শ্বশুর বাড়ির কেউ কেন দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেনি। পরিবারকে খবর দিয়ে লাশ উদ্ধারের মানে কি?
বক্তারা আরো বলেন, গত প্রায় ১মাস যাবৎ পুষ্পা অভিযোগ করে আসছিলো, তার স্বামী হেলালের সাথে হেলালের ভাবীর অবৈধ পরকীয়া সর্ম্পক আছে। এ সম্পর্কে বাঁধা দিতে গিয়ে বারবার মনোমালিন্য হচ্ছিল। এছাড়া লকডাউনে বিয়ে হওয়ার কারণে বরযাত্রী খাওয়ানো হয়নি এবং যৌতুকও দেয়া হয়নি। যৌতুকের জন্যও একাধিকবার পুষ্পাকে চাপ দেয়া হয়েছিলো শ্বশুরবাড়ি থেকে। এসব নিয়ে পুষ্পা বিয়ের পর থেকে সর্বদা চাপে থাকত।
প্রশাসনের কাছে আমাদের জোর দাবী, পরকিয়া ও যৌতুকের জন্য যারা নির্মমভাবে পুষ্পাকে হত্যা করেছে তাদের সবাইকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনুন এবং গ্রেফতারকৃত স্বামী হেলালসহ অন্য আসামীদের সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসির দাবী করেন।
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মো:আবছার উদ্দিন, আবু ছিদ্দীক, আবু সৈয়দ, মো খাইরুল বশর,শাহাদত হোসেন রুবেল, রাজু,সাজ্জত হোসেন জুয়েল আদিবসহ এলাকাবাসী।
প্রসঙ্গগত, নিহত নববধূ নিগার সুলতানা উপজেলার রায়খালী এলাকার জংগা তালুকদারের বাড়ির আহমদ মিয়ার মেয়ে। সে শাকপুরা পাইলট প্রবর্ত্তক কণ্যা বিদ্যাপীঠের নবম শ্রেণির ছাত্রী। দুই মাস পূর্বে চরখিজিরপুর এলাকার মালেক মাঝির নতুন বাড়ির মো.হেলালের সাথে বিয়ে হয়। গত (২৯ শে সেপ্টেম্বর) নববধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্বজনদের দাবি নিগার সুলতানাকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

