নিউজটি শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে পূর্বগোমদন্ডী শতর্বষী পুকুর ভরাটের অভিযোগ

বোয়ালখালী প্রতিনিধি: বোয়ালখালীতে শতর্বষী পুকুর ভরাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বোয়ালখালী পৌরসভার পূর্বগোমদন্ডী বণিক পাড়ার শতর্বষী পুকুরটি বণিজ্যিক ভবন নির্মাণের জন্য কয়েক দফায় ভরাটের চেষ্টা করেন পুকুরের মালিক পারিজাত দে নামের এলাকার প্রভাবশালী স্বর্ণ ব্যবসায়ি। বুধবার(১২মে) সকালে পৌরসভার বণিকপাড়ায় এ পুকুর ভরাটের এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা জানায়,

স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা জানায়,এলাকাবাসি ও প্রশাসনের বাধার মুখে তিনি পিছু হটেন। কিন্তু করোনা দুর্যোগের লক ডাউনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় পাড় ভরাটের কথা বলে কৌশলে পুকুরটি ভরাট শুরু করেন তিনি। যুগ যুগ ধরে এ পুকুরটি এলাকার মানুষ নানা কাজে ব্যবহার করে আসছে।

পুকুরের ১’শ গজের মধ্যে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিসের পানির চাহিদা পুরনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে এলাকার নলকুপগুলোয় পানি না উঠায় পুকুরটি মানষের খাবার পানির চাহিদাও পুরন করে।। দেশের প্রচলিত আইনে জলাশয় ভরাট আইনত দন্ডনীয় অপরাধ হলেও পৌরসভা বা পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন অনুমতি ছাড়া পুকুরটি ভরাট শুরু করেছেন ওই ব্যক্তি। জলাশয়টি ভরাটের কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং পানির অভাবে এলাকাবাসি দুর্ভোগে পড়বে। তাই পুকুরটি রক্ষার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম বলেন, পুকুর ভরাটের কোন অনুমতি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দেননি। দেশের প্রচলিত আইনে জলাশয় ভরাটকারির বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা নিতে তিনি প্রশাসনকে আহবান জানান। ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুনীল চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘কেউ যদি পাড় ভরাট করবে বলে পুকুর ভরাট করে ফেলেন তাহলে আমাদের কিছুই করার নেই’।

এ বিষয়ে জানতে পুকুর ভরাটকারি পারিজাত দে’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছাগল ও হাসের খামার করার জন্য স্থানীয় কাউন্সিলরের অনুমতিক্রমে ভরাট কাজ শুরু করছেন বলে দাবী করেন তিনি। বোয়ালখালীর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, পুকুর ভরাটে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।