সিপ্লাস প্রতিবেদক: সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যে ব্যাংকের চেক এর ক্লিয়ারেন্স না হওয়ায় গ্রাহকরা বিপাকে পড়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকে আইটি বিপর্যয়ের কারণে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে টাকা লেনদেন বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং সেক্টরের আর্থিক খাতে আন্তঃব্যাংক চেক লেনদেনও বন্ধ রয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার(১৫ এপ্রিল) ব্যাংক কর্মকর্তারা সিপ্লাসকে জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সফটওয়্যারের সমস্যা হওয়ায় ব্যাংকের চেক পাশ হচ্ছেনা।এই সমস্যা গত ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে বলেও তারা জানান।

মাঝখানে বুধবার (১৪এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে একদিন ব্যাংক বন্ধ ছিল।
বৃহস্পতিবার(১৫এপ্রিল) ব্যাংক খুললেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সফটওয়্যার সমস্যার সমাধান হয়নি। ফলে এদিন গ্রাহকরা ব্যাংক চেকের ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন।
তবে রোববার থেকে চেক ক্লিয়ারেন্স হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।
চেক জমা দেয়ার পর ক্লিয়ারেন্স না পাওয়া গ্রাহকরা সিপ্লাসকে বলেন, ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ব্যবসায়ীক লেনদেন থেকে শুরু করে আমদানি-রপ্তানির কাজও করতে হয়। এই লকডাউনের সময় চেক ছাড়া অন্য উপায়ও নাই। তাই চেক ক্লিয়ারেন্স না হওয়ায় তারা ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।
এরকম কয়েকদিন চললে ব্যবসা বানিজ্যে প্রভাব পড়বে বলেও তারা জানান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, গত ১৩ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দুটি ডেটা সেন্টারের মধ্যে সংযোগকারী ফাইবার অপটিক্যাল কেবল বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সার্ভার ডাউন হয়ে গেছে। ‘মাইক্রোসফট ও ভিএমওয়্যার’ প্রযুক্তি টিম সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। কখন ঠিক হবে বলতে পারছি না, তবে যেকোনো মুহূর্তে এটি ঠিক হয়ে যাবে।
আর্থিক খাতে লেনদেনের অন্যতম বড় এ দুটি মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়ে থাকে।
আন্তঃব্যাংক চেক লেনদেন ও ইএফটি- এই দুটিই ব্যাংকিং সেক্টরের আর্থিক খাতে লেনদেনের অন্যতম বড় দুটি মাধ্যম। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকে আইটি বিপর্যয়ের কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত এই সংকট নিরসন করতে না পারলে ভোগান্তি আরো বাড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








