সিপ্লাস ডেস্ক: ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কবলে পড়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং উড়িষ্যা। লন্ডভন্ড হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ঝড়ের তাণ্ডবে এরই মধ্যে অন্তত তিনজনের প্রাণহানি ঘটেছে।
ভারতীয় উপকূলের দিকে ঝড়টি অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উড়িষ্যা এবং পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশে প্রবল ঝোড়ো বাতাস এবং ভারী বৃষ্টি শুরু হয়।
বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভূমিতে ঢুকে পড়তে শুরু করে এবং সন্ধ্যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন উপকূলে আছড়ে পড়ে আম্পান। কলকাতায় ঘণ্টায় প্রায় ১৩৩ কিলোমিটার বেগে বয়ে যায় ঝড়ো হাওয়া।
এর জেরে লন্ডভণ্ড হয়েছে কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর। হাওড়া, হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেরও হাজার হাজার কাঁচা ঘরবাড়ি এবং গাছপালা ভেঙেছে। ক্ষয়ক্ষতি আরো বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত ঝড়ে তিন জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।
হাওড়ার শালিমারে ঝড়ে উড়ে যাওয়া টিনের আঘাতে মারা গেছে ১৩ বছরের এক কিশোরী। মিনাখাঁয় মাথায় গাছ পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক নারীর। ওদিকে, বসিরহাটে বাড়ির উঠোনে গাছ ভেঙে পড়ে মারা গেছে ২০ বছরের এক তরুণ।
আম্পানের প্রভাবে সমুদ্রে বেড়েছে জলোচ্ছ্বাস। ঝড়ের দাপট বিকেলের পর থেকে আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সকাল থেকেই ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে।
পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গায় প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ের দাপটও বেড়েছে। দিঘায় সকাল থেকেই সমুদ্র উত্তাল। প্রবল জলোচ্ছ্বাস হয়েছে। সমুদ্রবাঁধও কিছু জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।

