Site icon CPLUSBD.COM

ভূয়া ডাক্তার কারাগারে

ভূয়া ডাক্তার কারাগারে
আদালত প্রতিবেদক: এমবিবিএস ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চট্টগ্রামে নিয়মিত রোগী দেখার অভিযোগে পুলিশের করা মামলায় মো. খোরশেদ আলম নামক এক ভূয়া ডাক্তারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
৭ জুলাই বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানিয়েছেন আকবরশাহ থানাৱ আদালতের জেনারেল রেজিস্টার অফিসার।
আটককৃত ভূয়া চিকিৎসক মো: খোরশেদ আলম (৪৫) হাটহাজারী উপজেলার আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি বর্তমানে তার পরিবারসহ নগরীর পাহাড়তলীর সরাইপাড়া এলাকায় থাকেন।
গত ৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে আকবরশাহ এলাকার কাট্টলি মেডিক্যাল হল নামে একটি ফার্মেসি থেকে এই ভুয়া চিকিৎসককে আটক করে আকবরশাহ থানার পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে আলামত হিসেবে চিকিৎসকের সরঞ্জাম, নামফলক, ভিজিটিং কার্ড, সীলমোহরসহ কাগজপত্র জব্দ করা হয়। পরে এ ঘটনায় উক্ত ভূয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আকবরশা থানায় একটি প্রতারণা, জালিয়াতি, ছদ্মবেশ ধারণের অপরাধে মামলা করা হয়।
আদালত সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের ঐ ভূয়া চিকিৎসক আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ওয়ার্ডবয়ের চাকরি করতেন। তিনি কোনো প্রতিষ্ঠানেৱ প্রাতিষ্ঠানিক ডাক্তারী ডিগ্রি ছাড়া ৬ মাস ধরে চট্টগ্রামে নগরীর আকবরশাহ থানার কর্নেল জোন্স রোডে কাট্টলি মেডিক্যাল হল নামক ফার্মেসিতে চেম্বার খুলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেজে নিয়মিত রোগী দেখে আসছেন। তিনি ৬০০ টাকা ভিজিট নিতেন। তার পড়ালেখা সবেমাত্র অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত। তিনি নিজেকে এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরোলজি), নিউরোমেডিসিন, স্নায়ুরোগ, ডায়াবেটিস ও মেডিসিন রোগসহ বেশকিছু বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বলে পরিচয় দিতেন।
উক্ত ভূয়া চিকিৎসক মো. খোরশেদ আলম প্রতারণার অভিযোগে এর আগে ২০১৭ সালে মাগুরায় এবং ২০১৩ সালে কুমিল্লায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড ভোগ করেছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আকবর শাহ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহির হোসেন।