সিপ্লাস ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার একটি কারাগারে দাঙ্গায় ৪০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে বলে দাবী করেছে একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা।
কারাগারের ফটক ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা রক্ষীদের গুলিতে এরা নিহত হন বলে দেশটির সেনাবাহিনীর একটি প্রতিবেদন ও বিরোধীদলীয় এক আইনপ্রণেতার বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ।
ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল গার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সশস্ত্র কয়েদিরা পর্তুগিজা রাজ্যের লস লানোস কারাগারের মূল ফটক ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে সেনারা গুলি চালায়।
এক সেনা কর্মকর্তা মেগাফোনের মাধ্যমে কয়েদিদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয় ও কয়েদিরা হাল ছেড়ে দেয়।
ভেনেজুয়েলার প্রিজন অভজারভেটরির ভাষ্য অনুযায়ী বিবিসি জানায়, কারাগারটির বন্দিরা খাবার ও পানির অভাবের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে ছিল।
বন্দিরা জেল ভেঙে পালানোর চেষ্টা করেছিল, কর্তৃপক্ষের এ ভাষ্যে সন্দেহ প্রকাশ করে সংস্থাটি ঘটনা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার কারামন্ত্রী আইরিস ভারেলা স্থানীয় এক দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কারাগারে ‘একটি ঘটনা’ ঘটেছে বলে স্বীকার করলেও কতোজনের মৃত্যু হয়েছে তা জানাননি। এই দৈনিকের প্রতিবেদনেও জেল ভেঙে পালানোর চেষ্টার কথা বলা হয়েছে।
ওই ঘটনায় কারাগারটির পরিচালক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন ভারেলা। পাশাপাশি কারাগারটির বেশ কয়েকজন কর্মীও আহত হয়েছেন।
দাঙ্গার এ ঘটনায় ৪৬ জন কয়েদি নিহত হয়েছেন ও স্থানীয় হাসপাতালের জরুরি বিভাগ আহততে উপচে পড়েছে বলে জানিয়েছে প্রিজন অবজারভেটরি।
ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় সাংসদ মারিয়া মার্তিনেজ কারাদাঙ্গায় ৪০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
পর্তুগিজা রাজ্যের রাজধানী গুয়ানারের বাসিন্দা মার্তিনেজ বলেন, বন্দিদের জন্য আত্মীয়স্বজনের খাবার আনার রীতিতে কারা কর্তৃপক্ষ নিষেধাজ্ঞা দিলে লস লানোসে দাঙ্গা দেখা দেয়।
দাঙ্গা নিয়ে ভেনেজুয়েলার তথ্য মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।








