সিপ্লাস প্রতিবেদক: দেশে টিকাদানের মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধের একটি ব্যবস্থা করা গেলেও নতুন আতংক এখন ডেঙ্গু। দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮৭ জন। তাঁদের মধ্যে ঢাকার হাসপাতালগুলোয় ২৭৯ জন এবং ঢাকার বাইরে ৮ জন ভর্তি হয়েছেন।
আর সম্প্রতি চট্টগ্রামেও বেড়েছে ডেঙ্গুর আতংক।
বন্দরনগরীতে ইতিপূর্বে এডিস মশা নিধনে ছিটানো ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায়, গত ১৪ মার্চ চবি উপাচার্য ড. শিরীণ আখতারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ওষুধের গুণগত মান পরীক্ষার অনুরোধ করেন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী।
গেলো ৫ জুলাই থেকে শুরু হয়ে প্রায় মাসব্যাপী চলা এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন চবি’র প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া। এ গবেষণায় উঠে এসেছে ভয়ংকর সব তথ্য। কেবল এডিস মশার শতভাগ উপস্থিতিই নয়, এ গবেষণায় ম্যালেরিয়া রোগবাহী এনোফিলিস মশার উপস্থিতিও পেয়েছে গবেষক দল।
মূলত মশক নিধনের ঔষধের কার্যকারিতা নিয় প্রশ্ন থাকাই চসিক-চবিকে দিয়ে এ গবেষণাটি করিয়েছে।
আর চসিক ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে মাসব্যাপী ডেঙ্গুরোধে ৩০ দিনের ক্রাশ প্রোগ্রাম চালুর কথা থাকলেও, এডিস মশা নিধনে কি ঔষধ ব্যবহার করা যাবে তা জানা যাবে কাল। গবেষক দল কাল আনুষ্ঠানিকভাবে চসিকে গবেষণার ফলের প্রতিবেদন জমা দিবেন এবং বলে দিবেন কোন ঔষধ ব্যবহারে নগরবাসী মশা থেকে পরিত্রাণ পাবে।
এদিকে চসিক মেয়র বলেছেন, নগরবাসীকে ছাদবাগান করতে উদ্বুদ্ধ করেছি, এখন তাদের উচিত ছাদবাগান ও পরিষ্কার পানি জমে থাকে এমন জায়গাগুলো নিত্য পরিষ্কার রাখা।
উল্লেখ্য মশক নিধনে নগরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ছিটানো ওষুধ কতটা কার্যকর তা জানতে গেলো ২২ জুন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্থ পরিশোধ করেছে চসিক।
বিস্তারিত ভিডিওতে..








