নিউজটি শেয়ার করুন

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় দুই সাংবাদিক শান্তিতে নোবেল পেলেন

মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মৌরাতভ
ছবি: নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইট

সিপ্লাস ডেস্ক: রাশিয়া আর ফিলিপিন্সে কর্তৃত্ববাদী শাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শাসকের রোষের মুখে পড়া দুই সাংবাদিক পাচ্ছেন এবারের শান্তির নোবেল।

নরওয়ের নোবেল ইন্সটিটিউট শুক্রবার অসলোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ১০২তম নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ফিলিপিন্সের মারিয়া রেসা এবং রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভের নাম ঘোষণা করে।

নোবেল কমিটির প্রধান বেরিট রেইস-অ্যান্ডারসেন বলেন, গণতন্ত্র আর টেকসই শান্তির অন্যতম পূর্বশর্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে লড়াইয়ে ‘সাহসী’ ভূমিকার জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে তাদের।

“বিশ্বে গণতন্ত্র আর সংবাদপত্রের স্বাধীনতা যখন ক্রমেই হুমকির মুখে পড়ছে; তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে যারা এই আদর্শের জন্য লড়াই করে চলেছেন, সেই সকল সাংবাদিকের প্রতিনিধিত্ব করছেন মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ।”

১৯৩৫ সালে জার্মান সাংবাদিক কার্ল ফন ওজিয়েতস্কির পর এই প্রথম কোনো সাংবাদিককে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বেছে নিল নরওয়ের নোবেল কমিটি।

বেরিট রেইস-অ্যান্ডারসেন বলেন, “মুক্ত, স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা হল ক্ষমতার অপব্যবহার, মিথা আর অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ “

নোবেল পুরস্কারের এক কোটি সুইডিশ ক্রোনা সমান ভাগে ভাগ করে নেবেন রেসা আর মুরাতভ।

মারিয়া রেসা ফিলিপিন্সের নাগরিক। ১৯৬৩ সালের ২ অক্টোবর ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় তার জন্ম। তিনি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ডিজিটাল মিডিয়া কোম্পানি র‌্যাপলারের প্রতিষ্ঠাতা। মানুষের বাকস্বাধীনতা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। সাংবাদিক ও র‌্যাপলারের প্রধান হিসেবে বাকস্বাধীনতা রক্ষায় তিনি কাজ করছেন।

অপর নোবেল জয়ী দিমিত্রি মুরাতভের জন্ম ১৯৬১ সালে রাশিয়ায়। কয়েক দশক ধরে রাশিয়ায় বাকস্বাধীনতার পক্ষে লড়াই করছেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যম নোভাজা গ্যাজেটা সহ-প্রতিষ্ঠাদের একজন তিনি। ১৯৯৩ সালে এই সংবাদমাধ্যমটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে ২৪ বছর তিনি পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here