জামালপুরে মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা কেন্দ্রে পড়তে যাওয়া এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
বুধবার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ভাংগার গ্রাম জামে মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালিত মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মনিরুল ইসলাম (৪০) নামের ওই ব্যক্তি ওই মসজিদের অবস্থিত মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক। তিন সন্তানের জনক মনির হোসেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ভাংগার গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে।
শিশুটির খালা সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিদিনের মতো বুধবার সকাল ৯টায় ভাংগার গ্রাম জামে মসজিদে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দে পড়তে যায় মেয়েটি (৫)। সেদিন সেখানে কম ছাত্রছাত্রী ছিল। ওই শিশুকে রেখে অন্য ছাত্রছাত্রীদের গণশিক্ষা কেন্দ্রের পাশেই কামরাঙা ফল কুড়াতে পাঠায় শিক্ষক মনির।
“এই সুযোগে কেন্দ্রের ভেতরেই শিশুকে ধর্ষণ করে। শিশুটি বাড়িতে গেলে গোসল করানোর সময় তার কাপড়ে রক্তের দাগ দেখে ঘটনাটি বুঝতে পারি আমি। রক্তপাত বাড়তে থাকলে বুধবার রাত ১টায় তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই।”
হাসপাতালের বেডে শুয়ে শিশুটি বলে, “হুজুর আমারে দাদু দাদু বলে কোলে নিছে। আমি ব্যথা পাইছি।”
দেওয়ানগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুনিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির নানি বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষক মনিরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শফিকুজ্জামান বলেন, শিশুটি বুধবার গভীর রাতে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে।
বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ভাটির পাড়া গ্রামের ওই শিশুর মা ঢাকায় গার্মেন্টেসে কাজ করেন। শিশুটি তার খালার কাছে থেকেই গণশিক্ষা কেন্দে পড়ে।
এ ব্যাপারে জামালপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে মনিরকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।








