এ.এম হোবাইব সজীব,মহেশখালী: কেনাকাটায় করোনার প্রভাব যেনো বিন্দুমাত্র নেই মহেশখালী উপজেলার উত্তর প্রান্তে ঈদের বাজারে। কেনাকাটায় মানা হচ্ছে না নিরাপদ শারীরিক দূরুত্ব, নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই।
স্বাস্থ্যবিবিধি না মেনে কেনাকাটা চলায় সচেতন মহলের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লেখালেখি চলছে। বলতে গেলে পুরোদমে জমেছে ঈদের কেনাকাটা।
পুরুষের চেয়ে ঈদ বাজারে মেয়েরা হুমড়ি খেয়ে কেনাকাটা শুরু করেছে। বাজারে যেমন হাঁটা মুশকিল তেমনি দোকানে দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। যেনো কারোর মনে নেই করোনার ভয়। মানা হচ্ছে না কোনো সরকারি নির্দেশনা।
তবে বাজারে ভিড় আর জমজমাট কেনাকাটা হলেও ক্রেতারা খুঁজছেন কমদামে ভালো পোশাক। করোনার বিরুপ প্রভাব আর লকডাউনে টাকার ঘাটতি মেটাতেই কম দামেই পোশাক কিনে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষদের।
রবিবার (১৭মে) উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার উত্তর প্রান্তের সব ক্রেতা যেন উল্টো পথে দ্বীপ যাচ্ছে ইউনিয়ন মাতারবাড়ীর সিএনজি স্টোশন,পুরান বাজার,বাংলাবাজার,মগডেইল বাজারের বিভিন্ন কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের জটলা। করোনার বিরূপ প্রভাবে আর্থিক মন্দায় বেশিভাগ ক্রেতারা খুঁজছেন কমদামে ভালো পোশাক। তাই এবার ভারতীয় সিরিয়াল কিংবা মুভির নামে নামকরা পোশাকগুলোর উপস্থিতি নেই বাজারে। এজন্য এবার বাজারে ইন্ডিয়ান কিংবা পাকিস্তানি কাপড়ের স্থলে বেশি বিক্রি হচ্ছে দেশি সুতি কাপড়গুলো।
বিভিন্ন বিপণীবিতানগুলোতে সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলছে জমজমাট কেনাকাটা। মাতারবাড়ী নতুন বাজারের মাহিম স্টোরের মালিক ওসমান গণি বলেন, মাস্ক ছাড়া এবং বাচ্চাকে নিয়ে আসা ক্রেতাদের দোকানে না আসতে বারণ করছি আমরা। গতবারের ন্যায় এবারো কেনাকাটা বেশ ভালো চলছে। তবে মধ্যম ও নিম্নশ্রেণির ক্রেতারা কমদামে কাপড় খুঁজছেন।
সানডে, বলিউড, আলিফ গোল্ড নামের দেশি থ্রিপিসগুলো এবার ভালো বিক্রি হচ্ছে। ৪০০ থেকে ৭০০ এর মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে এসব থ্রিপিস। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আর্থিক মন্দা আর গরমকাল থাকার কারণে কম দামে দেশি সুতি থ্রি-পিসগুলোই পছন্দ আর বিক্রির শীর্ষে রয়েছে।
মেয়েদের জন্য কাপড় কিনতে পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন কালারমারছড়া উত্তরনলবিলা থেকে এসেছিলেন ছেনোয়ারা বেগম। তিনি বলেন, করোনার কারণে আয় রোজগার তেমন নেই। তবে ঈদতো করতেই হবে। তাই মেয়ে একটির জন্য কম দামের হলেও পোশাক নিতে এসেছি। ১৭শ টাকায় দুটি দেশি সুতি থ্রিপিস নিয়েছি। করোনার প্রভাব না থাকলে হয়তো মেয়েটিকে আরও উন্নত মানের কাপড় কিনে দিতে পারতাম।
মহেশখালী উপজেলা সহাকারী কমিশনার (ভূমি) ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট সুইচিং মং মারমা বলেন, আইন অমান্যকারিদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট চলছে। ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে








