এ.এম হোবাইব সজীব: হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে কাল বৈশাখী বৃষ্টিতে মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন লবণ মাঠের উৎপাদনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। বছরের প্রথম বৃষ্টি অপরদিকে কাল বৈশাখীর তান্ডবে উপজেলার-প্রান্তিক লবণ চাষিদের মাঠের লবণ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আজ শনিবার বিকাল ৪ টার সময় কাল বৈশাখী তান্ডব শুরু হয়। চাষিরা জানার, মাঠে কাজ করার সময় হঠাৎ ধমকা হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে মাঠে উৎপাদিত লবণের ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে মাঠের লবণ। মাঠের প্রান্তিক চাষিরা বাম্পার উৎপাদনে খুশি হলেও বৃষ্টিতে লবণ ভেসে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে তাঁরা। উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তরনলবিলা লবণ চাষি মোঃ আলমের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান,১একর জমিতে লবণ চাষ করতে (জমি,শ্রমিক,অবকাঠামো) ইত্যাদিতে খরচ হয় ১লক্ষ ৫০হাজার টাকা । লবণ উৎপাদন হয় প্রায় ৭ শত ৫০ মন। বর্তমান বাজার মুল্য অনুযায়ী লবণ বিক্রি করলে, মুল্য দাড়াবে ১লক্ষ ৩০হাজার টাকা মতো। লাভের আশা দুরে থাক;আসল খোজে না পাওয়ায় দুচিন্তায়, হতাশা গ্রস্ত হয়ে মানবেতর দিন যাপন করছে লবণের সাথে সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রান্তিক লবণ চাষিদের দুঃখ দুরর্দশার কথা চিন্তা করে হলেও লবণের ন্যার্য মুল্য নিশ্চিত করা হোক। কাল বৈশাখী তান্ডবে উপজেলার মাতারবাড়ী, ধলঘাটা,কালামারছড়া, হোয়ানক,বড় মহেশখালী, কুতুবজোম ও পৌরসভার লবণ চাষীদের মাঠের লবণ বৃষ্টির পানিতে ভেসেগিয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
মহেশখালী উত্তর নলবিল বিসিক লবণ প্রর্দশনী কেন্দ্রের প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি হলে চাষিরা লবণ ভেসে যাওয়ার ভয়ে লবণ পলিটিন গুঁড়িয়ে নিয়েছে। তবে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়নি।








