মহেশখালী প্রতিনিধি: মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের নোনাছড়ি গোদার পাড়া এলাকায় স্বর্ণ চুরি সংক্রান্ত বিরুধের জের ধরে ধাওয়া পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী- পুরুষসহ ৪জন আহত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ২৪ আগস্ট সোমবার রাত সাড় ৭টার সময় নোনাছড়ি বাজারের পূর্বপাশে। আহতরা হলেন,নোনাছড়ি গ্রামের রমজান আলীর পুত্র রিদোয়ান (৩৫), মোহাছানা বেগম (৬০) পারভীনা আক্তার (৩০)।
অপরপক্ষের আহতরা হলেন, আলী হোছাইনের স্ত্রী মমতাজ বেগম (৫৬), বদি আলমের পুত্র রাসেল (১৩)। স্থানীয়রা জানান চলতি মাসের ৭আগস্ট আহত রিদোয়ানের আত্মীয়র বাড়ী থেকে বেশকিছু স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে যায় মীর কাশেমসহ তার লোকজন অভিযোগ আনে আহত রিদোয়ানের আত্মীয় স্বজন।
বিষয়টি স্থানীয় মান্যগন্য ব্যক্তিবর্গ সমাধান করে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এরই মধ্যে গত ৯ই আগষ্ট চুরের দল আহত রিদোয়ান এর পরিবারের ২জন নারীকে ব্যাপক মারধর করে বলে আহত রিদোয়ানের পারিবারিক সূত্রে দাবি তুলেছেন। এঘটনায় রিদোয়ানের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এক খানা অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ টি কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁডির এএসআই রিপন বড়ুয়ার বরাবরে তদন্ত করার জন্য পাঠানো হলে তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে প্রাথমিক ভাবে বসে আপোষ রফা করে দিতে চেষ্টা চালায় এবং আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ২ তারিখ বিষয়টি নিয়ে ফের বসার কথা ছিল। ওই তারিখ না আসতেই রিদোয়ান গং এর লোকজন আহত আলী হোছাইন ও মীর কাসেম গংদের অকাথ্যভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকলে এতে তারা কর্ণপাত করলে দুই পক্ষের মধ্যে বিষয়টি তাক্ষনিক সংর্ঘষের সূত্রপাত হয়ে রক্তপাতের রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে আহত হয়। স্থানীয়দের সহায়তা আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ঘটনাটি বিচার শালিসের আগে দুই পক্ষ তৈলে বেগুনে জ্বলে উঠে হানা-হানিতে জড়িয়ে পড়লেও নারীদের যৌন হয়রানির মত কোন ঘটনা ঘটেনি বলে স্থানিয়দের সাথে কথা বলে জানাগেছে।
এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি দিদারুল ফেরদৌস জানান, সন্ত্রাসী যেই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা শিঘ্রিই গ্রেপ্তার করা হবে।








