মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ড আর্দশ গ্রামের পূর্বপাশে দিনাজপুর মৌজার বিএস ১৩০ দাগের সরকারি খাস জমিতে বনবিভাগের সৃজিত প্যারাবন নিধন করে চিংড়িঘেরের জন্য বাঁধ নিমার্ণ করা হচ্ছে।
জানাগেছে, উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের আর্দশগ্রাম এলাকায় সৃজিত প্যারাবন নিধন করে মাসখানিক ধরে স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক চৌধুরীর নেতৃত্বে ভূমিদস্যুরা চিংড়িঘেরের বাঁধ নিমার্ণ করছে। বাঁধ নির্মানের জন্য কাটা হয়েছে ছোট-বড় শত শত বাইনগাছ। বনকর্মীদের বাঁধা উপেক্ষা করে বাঁধ নির্মান করা হচ্ছে।

স্থানিয় লোকজন বলেন,বনদস্যুরা ইতিমধ্যে নতুন করে ২৫ একর মত বনভূমি জবরদখল করে ২ টি চিংড়িঘের করার জন্য বাঁধ নিমার্ণ করেছে।
শাপলাপুর জেমঘাট বিট কার্যালয়ে সূত্রে জানা যায়, শাপলাপুর ইউনিয়নের আর্দশ গ্রামের পূর্বপাশের খালের পাশে অবৈধভাবে চিংড়িঘের করার লক্ষে ভূমিদ্যুরা গত মাসখানিক আগে সংরক্ষিত প্যারাবন নিধন শুরু করে। বনকর্মীদের বাধার মুখে কিছুদিন তা বন্ধ থাকে। কয়েক দিন না যেতেই আবার চিংড়িঘেরের বাঁধ নির্মাণ শুরু করে ভূমিদ্যুরা। গত ২০ ফেব্রুয়ারী সকালে কমপক্ষে অর্ধশত শ্রমিক প্যারাবন কেটে আবারও বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এসময় স্থানিয় বনকর্মীরা বাধা দেন। এসময় ভূমিদস্যুরা বনকর্মীদের উপর চড়া হলে নিজেদের আত্মরক্ষার্থে বনকর্মীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়লে ভূমিদ্যুদের নিয়োজিত শ্রমিকেরা পালিয়ে যান।
এর পরে কিছু দিন চলে গেলে পুনরায় বাঁধ নির্মান করেন ওই চক্রটি।
শাপলাপুর ইউনিয়নের জেমঘাট বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক সরকার বলেন, প্যারাবনের ভিতরে চিংড়িঘেরের জন্য বাঁধ তৈরি করছে স্থানিয় প্রভাবশালী চেয়ারম্যানসহ একটি সিন্ডিকেট। তা অতি শিঘ্রই উচ্ছেদ করা হবে।
মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম বলেন,শাপলাপুরে প্যারাবন নিধন করে চিংড়িঘেরের জন্য বাঁধ তৈরি বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি তা শিঘ্রই উচ্ছেদ করা হবে।








