এ.এম হোবাইব সজীব,মহেশখালী: ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সাইটপাড়া, জেলে পাড়া পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় বাড়ী হারা হয়ে পড়েছে নিচু এলাকার মানুষ। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অত্র এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার।
এছাড়াও ঝড় জলোচ্ছ্বাসে সাইটপাড়া ও জেলে পাড়ার ৪ শত কাঁচাবাড়ী সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ২ কিলোমিটার।
উপজেলার মাতারবাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সরজমিন গিয়ে যাচাই-বাচাই করে তালিকা তৈরীর কাজ শুরু করেছে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকটি টিম উপজেলার মাতারবাড়ী- ধলঘাটা বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সরেজমিন তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ইয়েসে’র দিনের বর্ণনা শুনে তালিকা তৈরী কাজ করেছেন।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ শেষ করেছেন উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত টিম।
মাতারবাড়ী ইউনিয়নের ষাইটপাড়া,জেলে পাড়া খন্দার বিল,উত্তর রাজঘাট,দক্ষিণ রাজঘাট, বানিয়াকাটা এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তালিকা তৈরী করেন।
ধলঘাটা ইউনিয়নের সাপমারার ডেইল, সুতুরিয়া,খাতুর পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের তৈলিকা তৈরি করেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্র জানাযায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এ ক্ষতিগ্রস্ত মাতারবাড়ী সম্পুর্ণ বাসগৃহ ক্ষতিগ্রস্ত,৫৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত,৩৯টি,সাধারণ ক্ষতিগ্রস্ত,১৮১টি সব মোর্ট ক্ষতিগ্রস্ত ২৭৪ টি পরিবার।
অপরদিকে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এ ক্ষতিগ্রস্ত ধলঘাটা সম্পুর্ণ বাসগৃহ ক্ষতিগ্রস্ত ২০টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত,৩৭ টি সাধারণ ক্ষতিগ্রস্ত, ৪৫০টি মোট ক্ষতিগ্রস্ত ৫০৭ পরিবার।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রায় ৭ শতাধিক বাড়ী ভাঙ্গা,বিলিন হওয়া, উড়ে যাওয়া, খোলা আকাশের নীচে অবস্থানকারী লোকজনের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারী যে কোন সহায়তা আসা মাত্র তাদের তথ্য অনুসারে বিতরণ করা হবে।

