Site icon CPLUSBD.COM

মাদক, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধে টেকনাফ সীমান্তে র্স্মাট ডিজিটেল সার্ভেইল্যন্স স্থাপিত

বাংলাদেশ-মিয়ানমারের কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে স্থাপিত র্স্মাট ডিজিটেল সার্ভেইল্যন্স এন্ড ট্যাকটিক্যাল বর্ডার রেসপন্স সিস্টেম পরির্দশন করেছেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

শুক্রবার (৬ র্মাচ) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে টেকনাফ সাবরাং বিজিবির চৌকি সংলগ্ন সীমান্ত ঘুরে দেখেন প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (আনসার ও সীমান্ত) মোহাম্মদ সাহেদ আলী, বর্ডার র্গাড বাংলাদেশ (বিজিবি)র অতিরিক্ত মহা পরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, কক্সবাজার রিজিয়ন সদর দপ্তরের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, উপ-অধিনায়ক মেজর রুবায়াৎ কবীর, অপারেশন মেজর মোঃ রাহুল আসাদ প্রমুখ।

এই প্রতিনিধিদলটি টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং এলাকা সরজমিন পরিদর্শন করেন। সেখানে এ সব বিষয়ে বিভিন্ন দিক যাচাই করেন। এর আগে প্রতিনিধি দল টেকনাফ ২ ব্যাটলিয়ন সদর দপ্তরে বর্ডার রেসপন্স সিস্টেম নিয়ন্ত্রন কক্ষ ঘুরে দেখেন।

এসময় টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, প্রথম দাপে শাহপরীরদ্বীপ থেকে সাবরাং পর্যন্ত বর্ডার সার্ভেইল্যন্স সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এটার মেইন উদ্দ্যেশ্য আমরা সীমান্তকে সম্পূন্ন রুপে সার্ভেইল্যন্সের আওতায় এনে সীমান্তকে সুরক্ষা করা । পাশাপাশি মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে এপারে প্রচুর মাদক ইয়াবা আসে, মানব পাচার হয়, রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ হয়, সেগুলো আমরা এখন আরো এপেক্টিবলি প্রতিহত করতে পারব। আসলে সকলের সহযোগিতায় মিয়ানমার সীমান্ত আরো অনেক সুন্দর ভাবে সুরক্ষা করা সম্ভব হবে। এইটি ডিজিটেল বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় এটি একটি মাইল ফলক। এই সিস্টেম যেনে খুশি হবেন, যে শাহপরীর দ্বীপ থেকে কক্সবাজারের বাইশ পাড়ি সীমান্ত জুড়ে মিয়ানমার সীমান্তে বসবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (আনসার ও সীমান্ত) মো. সাহেদ আলী বলেন, ‘সীমান্তে র্স্মাট ডিজিটেল সার্ভেইল্যন্স স্থাপিত প্রমাণ করে এইটি শেখ হাসিনার ডিজিটেল বাংলাদেশ। মূলত সরকার প্রধানের নির্দেশে সীমান্তে মাদক, চোরাচালান ও মানব পাচার রোধে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তাছাড়া এইটি সীমান্ত সুরক্ষায় খুব কাজে আসবে। পর্যায়ক্রমে আমরা সব করব। এটা যদি ইপেক্টিভ হয়, এখান থেকে সুফল পাই তাহলে সমগ্র বাংলাদেশে এই ধরনের সার্ভেইল্যন্স সিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসব।

তিনি বলেন, ‘প্রথমত যে সমস্ত এস্পষ্ট কাতর বর্ডার যেখানে আছে সেখানে আগে কাজটা হবে, এর পাশাপাশি যশোর জেলার পুকখালীতে ১০ কিলোমিটার আমরা সার্ভেইল্যন্স সিস্টেমের আওতায় এনেছি। আমাদের যাতে সিস্টেমে কোন ধরনের ঘাটতি না থাকে, কোন দূবলতা না থাকে, সেটাকে কিভাবে এড্রেস করা যায়, সে বিষয় গুলো আমরা টিক করার জন্য মূলত এখানে এসেছি। আমি গিয়ে মন্ত্রনালয়ে রির্পোট করব। সেগুলো নিয়ে পরবর্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।