Site icon CPLUSBD.COM

‘মাদ্রাসা থেকে এসে’ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর

সিপ্লাস ডেস্ক: কুষ্টিয়া পৌর শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দুই ছাত্র ও দুই শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল রোববার সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

যে মৌলবাদীরা জাতির পিতার ভাস্কর্যে ভাঙচুর চালিয়েছে, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যদি কেউ মনে করেন, তারা অনেক শক্তিশালী হয়ে গেছেন, এটা তাদের ধারণার ভুল।”

আটক চারজন হলেন- কুষ্টিয়া শহরের জুগিয়া পশ্চিমপাড়া ইবনে মাসউদ মাদ্রাসার ছাত্র আবু বকর ও মো. সবুজ ইসলাম নাহিদ এবং ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আলামিন ও ইউসুফ আলী।

সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিওতে আবু বকর ও নাহিদকেই ভাস্কর্যে ভাঙচুর চালাতে দেখা গিয়েছিল বলে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার মহিউদ্দিন জানিয়েছেন।

ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনে হেফাজতে ইসলামসহ কয়েকটি ইসলামী দলের বিরোধিতার মধ্যেই শুক্রবার গভীর রাতে কুষ্টিয়ায় জাতির পিতার ওই ভাস্কর্যে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

পৌর কর্তৃপক্ষ পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধুর তিনটি ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে একটির কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল। শুক্রবার রাতের ওই হামলায় ভাস্কর্যের ডান হাত, পুরো মুখমণ্ডল ও বাঁ হাতের আংশিক ভেঙে ফেলা হয়।

স্থানীয় সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিওতে দেখা যায়, রাত সোয়া ২টার পর টুপি মাথায় পাজামা-পাঞ্জাবি পরিহিত দুইজন পায়ে হেঁটে এসে বাঁশের মই বেয়ে উঠে নির্মাণাধীন ভাস্কর্যে ভাঙচুর করে।

সে প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গভীর রাতে এসে… দুজনের ভিডিও ফুটেজ দেখা গেছে। তারা দুজন হাতুড়ি দিয়ে ভেঙেছে।… তারা ইবনে মাসউদ মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে এসে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।”