নিউজটি শেয়ার করুন

মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ কদমতলী ট্রাক স্ট্যান্ড ; সারাদেশ থেকে এখানে ট্রাক আসে যায়, নেই পর্যাপ্ত নজরদারী

নগরীর সদরঘাট থানাধিন কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ডটি মারাত্মক করোনাভাইরাস সংক্রামনের ঝুঁকিতে আছে৷ এই একটি স্ট্যান্ড থেকে দেশের সব জেলা-উপজেলায় মালাবাহী ট্রাকের চালক-হেলপাররা আসা যাওয়া করে৷ প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হাজার হাজার ট্রাকের শ্রমিক ও গাড়ীর ব্রোকারে গিজগিজ করে পলাশী হোটেলের সামনের চত্ত্বরের ট্রাক স্ট্যান্ডটি৷ ফলে অন্যান্য জেলা থেকে করোনাভাইরাস যেমন এখান হয়ে চট্টগ্রামে ঢুকতে পারে তেমনি এখান থেকে করোনাভাইরাস সারা দেশে ছড়াতেও পারে৷


আজ দুপুরে সরেজমিন ঘুরে শত শত লোক সমাগমে জমজমাট ট্রাকের ট্যান্ডে ভয়ানক চিত্র দেখা যায়৷ এখানে ট্রাক শ্রমিক, গাড়ীর ব্রোকার ও ট্রান্সপোর্টের প্রতিনিধিদের বেশীর ভাগই করোনাভাইরাস মোকাবেলায় নুন্যতম নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা মেনে চলছে না৷ একে অন্যের গা ঘেঁষে প্রকাশ্য রাস্তার পাশে ভীড় করে চট্টগ্রাম বন্দর সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালামাল পরিবহনের গাড়ী ঠিক করতে ব্যস্ত৷ এখানে বেশীর ভাগই পেটের দায়ে কাজ করছে বলে দাবী করলেও নুন্যতম নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনকি মাস্ক পর্যন্ত ব্যবহার কেন করছেম না এমন প্রশ্ন করলে তারা কোন সতউত্তর দিতে পারেনি৷ তবে এই স্ট্যান্ডের অনেকের দাবী চট্টগ্রাম বন্দর সচল থাকলে এই স্ট্যান্ডও চলবে৷

এই বিষয়ে আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃসুফিউর রহমান টিপু সিপ্লাসকে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গাড়ীর চাহিদা থাকলে আমাদের গাড়ী সরবরাহ করতেই হয়৷ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেম করোনা মোকাবেলায় বন্দরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে৷ কদমতলী স্ট্যান্ডে কি কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কিনা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমরা ট্রাকের ব্রোকার সমিতিকে এই বিষয়ে তাগাদা দিয়েছি৷ আজ লিফলেট বিলি করে আবারো গণসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিবো৷

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের কদমতলী ট্রাক স্ট্যান্ডের জনসমাগম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমি একাধিকবার মাইকিং সহ নানান উদ্যোগ নিয়েছি৷ এখানের হোটেল পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো কিন্তু ট্রাকের শ্রমিক ও ব্রোকাররা কোন কথাই আমলে নেন না৷

সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুর রহমান ফারুকী সিপ্লাসকে বলেন, আমরা একাধিকবার তাদের জটলা না করতে নির্দেশনা দিয়েছি৷ এছাড়া আশপাশের হোটেল পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছিলাম৷ মাইকিং ও লিফলেট বিলির পরো তারা যদি এই জনসমাগম বন্ধ না করে তাহলে আজ আবারো কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।