সিপ্লাস ডেস্ক: স্বাস্থ্যের গাড়ি চালক মালেকের বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত মাজারে যেতেন নায়ক-নায়িকাসহ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। বাবার মৃত্যুর পর শুরু হলেও দুগ্ধ খামারের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে লিখেছেন মৃত বাবার নাম। পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করলেও সব সম্পদ মালেকেরই কেনা।
প্রতিবেশীরাই গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছে।
তুরাগের দক্ষিণ রাজাবাড়িতে একই চৌহদ্দিতে অবস্থিত স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের ছেলের নামে করা দুগ্ধ-খামার এবং তার বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত মাজার। দুটি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডে দেয়া তথ্য এবং এলাকাবাসীর দেয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে গরমিল।
এলাকাবাসী বলছেন, মালেক প্রথমে তার বাবা হাজি আব্দুল বারীর নামে মাজার প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ছেলের নামে ইমন ডেইরি ফার্ম চালু করেন। তবে সাইন বোর্ডে নিজের নাম লিখেছেন আলহাজ্ব এমএন বাদল। ১৯৯৯ সালে বাবা হাজি আব্দুল বারী ফার্মটি প্রতিষ্ঠা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। মাজারের সাইনবোর্ডে বাবার মৃত্যু সাল দেখানো হয়েছে ২০০৫ সাল। প্রশ্ন উঠেছে অবৈধ অর্থে গড়া সম্পদের পাহার আড়াল করতে মালেক এম কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন কিনা।
এলাকাবাসী জানান, ওনার বাবা চট্টগ্রামের মাইজভাণ্ডারে খাদেম ছিলো। তিনি খামার হওয়া আগেই মারা গেছেন। তার বাবার মৃত্যুর তিন বছর পর এই খামার গড়ে তোলা হয়।
অন্য একজন জানান, অনেক বছর আগেই মাইজভাণ্ডারি মাহফিল হয়েছিলো; সেখানে নায়ক জাবেদ, নায়িকা নতুনসহ অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী এসেছিলেন।
গত রোববার মালেক গ্রেফতার হওয়ার পর তার মেয়ে দাবি করেছিলেন, বামনারটেকে ৮ তলা ভবন গড়ে উঠেছে তার দাদার ১০ কাঠা জমির ওপর। তবে জমির আগের মালিক জানাচ্ছেন মালেক কাঠা প্রতি ১০ লাখ টাকা দিয়ে ২০১১ সালে জমিটি কেনেন।
এ সব অসঙ্গতির বিষয়ে কথা বলতে পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।








