সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বন্দরে মোটর পার্টসের ঘোষণা দিয়ে বিষাক্ত কেমিক্যাল আমদানির অভিযোগে নিউ মাসুদ অটো পার্টস নামক আমদানীকারকের পণ্য চালান আটক করেছে কাস্টমস সদস্যরা।
পণ্যটি বন্দর থেকে ছাড় করাচ্ছিলেন সিএন্ডএফ এজেন্ট আমিন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল। মিথ্যা ঘোষণার এ চালানটি আটক করে চট্টগ্রাম শুল্ক ও গোয়েন্দা অধিদপ্তর।
আমদানিকারকের ঘোষণা অনুযায়ী ১৬৫০ কেজি মোটর পার্টস আমদানির কথা থাকলেও চালানটি এখন অবধি কায়িক পরীক্ষা না হওয়ায় কি পরিমাণ পণ্য রয়েছে তা জানাতে পারেনি কাস্টম কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের ইন্টেলিজেন্স সেলের সহকারী পরিচালক নুরুন নাহার লিলি মালামাল আটক প্রসঙ্গে বলেন, এই বিষয়টির সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অন্য অভিযানে ব্যস্ত থাকায় বিস্তারিত জানাতে পারছি না। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলে তথ্য প্রকাশ করা হবে। মিথ্যা ঘোষণা বা অবৈধভাবে কেউ পণ্য আমদানি করলে তা নির্মূল করা হবে। এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম কাস্টমসে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিউ মাসুদ অটো পার্টস চায়নার রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান জিজেড ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশানাল কোম্পানি লিমিটেড থেকে ৪১১৯ ডলারের মূল্যমানের ‘পার্টস অব ভেহিক্যাল লাইট/সিংগ্যালিং একস্কেট্রা ইকুইপমেন্ট অব ৮৫.১২ মোটর পার্টস’ আমদানির ঘোষণা দেয়। তারপর এ বছরের ৭ জুলাই আমদানিকারকের পক্ষে তাদের নিয়োজিত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমিন ট্রেড ইন্টারন্যাশানাল চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে বিল অফ এন্ট্রি দাখিল করে। এ চালানে মোটর পার্টস আমদানির ঘোষণা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে ওই চালানে আমদানিকারক নিয়ে এসেছে ডি-অ্যালথ্রিন, টেকনিক্যাল গ্রেড এবং কেমিক্যাল যা কীটনাশক ও মশার কয়েল তৈরিতে ব্যবহৃত বিষ। যা কাস্টম হাউসের রাসায়নিক পরীক্ষায় বেরিয়ে আসে। আমদানিকৃত পণ্যের আর্থিক মূল্য মোটর পার্টসের তুলনায় অনেক বেশি।

