সিপ্লাস প্রতিবেদক: নিয়াজ মোর্শেদ এলিটকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সিসি সদস্য মনোনিত করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মিরসরাই উপজেলা।
এর আগে এলিটকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপ কমিটির সদস্য মনোনীত করা হলে তখনও মিরশ্বরাই আওয়ামী লীগ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিলো। তবে এতে তেমন কোন লাভ কিংবা কাজ হয়নি, এলিট স্বপদে বহাল ছিলো।

মিরসরাই আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করা হয়- “দেশের গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমে নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের বিষয়টি যুবলীগে স্থান পাওয়া নিয়ে দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা ইতোমধ্যে মিরসরাই তথা চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের রাজনীতে ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। যা স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার জন্ম দিচ্ছে।ফলে শেষতক তৎকালীণ মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন সংবাদ মাধ্যমে এলিটের ছাত্র রাজনীতি নিয়ে উচ্চ প্রশংসা করেছিলেন।
এলিট ও তার বাবা নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নানা ধরণের অভিযোগ করা হয়। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি সংযুক্ত।)
এ প্রসঙ্গে নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে উনার একজন কর্মী হিসেবে কাজ করেছি, সামনেও করে যাব। রাজনীতি করে আমি এক টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছি তা কেউ প্রমাণ করতে পারবেনা। আমি দেশের সব নিয়ম কানুন মেনে ব্যবসা করি। রাজনীতি করি বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীকে ভালোবাসি আর দেশের মানুষের পাশে থাকার ক্ষুদ্র চেষ্টা থেকেই। এখানে চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। মিরসরাই আমার জন্মস্থান সেটা তো অপরাধ হতে পারেনা।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে গিয়ে আমি পারিবারিক ব্যবসা থেকে বের হয়েছি। আমার বাবা অন্য রাজনীতি করে বলে তার সাথেও আমার সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে। আমার নিজস্ব একটা পরিচয় আছে। ক্রীড়াসহ নানা সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত দীর্ঘদিন ধরে। এরপরও কেন আমার বাবার কথা বলে আমাকে টেনে নামানোর চিন্তা ? এসব গতবার আন্তর্জাতিক উপ কমিটির সদস্য পদ পাবার সময়ও করা হয়েছিল। আমি হলফ করে বলছি, আমি কোনও দিন আওয়ামী লীগের বাইরে যদি অন্য কোনও দল করেছি একদিনের জন্যও সেটা কেউ প্রমাণ করতে পারে তাহলে যু্বলীগের পদ থেকে পদত্যাগ করব।’
এলিট বলেন, ‘রাজনীতিতে নানা মত থাকবে, তবে আর্দশের ঠিকানা একটাই, একজনই। আমাদের আদর্শিক নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমি স্কুল জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলাম। কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতি করার পর গতবার আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার কাজের মূল্যায়ন করে যুবলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান দিয়েছেন।’








