সিপ্লাস প্রতিবেদক: ঈদে মিলাদুন্নবী বা মাওলিদ হচ্ছে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ উৎসবমুখর দিন।
১২ রবিউল আউয়াল নবীজির জন্ম হলে এ মাসের শুরু থেকে চট্টগ্রামের প্রতিটি জনপদে পালিত হচ্ছে নানা আয়োজন। বিভিন্ন সভা-সমিতির পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় অব্যাহত রয়েছে মিলাদ মাহফিল ও মেজবান । এই সব মিলাদ মাহফিল, মেজবান, বিবাহসহ ছোট বড় নানা অনুষ্ঠানে চলছে ব্যাপক খাওয়া-দাওয়া। প্রতিদিন জবাই হচ্ছে অগুনিত গরু-ছাগল, মুরগিসহ বিভিন্ন পশু। স্বাস্থ্যবিধির ক্ষেত্রেও অনেকে অবলম্বন করছেন নানা সতর্কতা।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। নগর জুড়েও এমন আয়োজনের কমতি নেই।
প্রতিটি এলাকায় প্রতি বেলায় একাধিক মেজবানির দাওয়াতে সকলেই হাপিয়ে উঠছে। মানুষের মন রক্ষার্থে উপস্থিত হতে হচ্ছে একাধিক আয়োজনে। অনুরোধে বাধ্য হচ্ছে অতিমাত্রায় ভোজনে। শিশু এবং মহিলাদের জন্যে অনেকের ঘরে ঘরে পাঠানো হচ্ছে তবারুক। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর এখন চট্টগ্রামের প্রতিটি দিন। প্রতিফলিত হচ্ছে নবীর প্রতি ভালবাসার নানা বিচ্চুরণ।
রাউজানের পূর্ব লেলাংগারা গ্রামের জনৈক আবুল হোসেন বলেন, রবিউল আউয়াল মাসের শুরু থেকে চলছে একের পর এক দাওয়াত। বিভিন্ন দাওয়াতের সাড়া দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছি। বলতে গেলে ঘরের খাওয়া দাওয়া আপাতত বন্ধ। কোন কোন বেলায় একাধিক দাওয়াত থাকায় অনেকের মন রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
রাঙ্গুনিয়ার অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার বলেন, এসব ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের অংশ। এ ধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে সামাজিকতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি করে। শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ দল বেঁধে দাওয়াত খেতে যাওয়া-আসার দৃশ্যও মুগ্ধ করার মতো। বিশেষ করে চট্টগ্রামে এ ধরনে সংস্কৃতি সবচেয়ে বেশি।
হাটহাজারীর একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, রবিউল আউয়াল মাসের শুরু থেকে একটানা এলাকায় অবস্থান করছি। প্রতিটি বাড়িতে মিলাদুন্নবীর নানা আয়োজন। কম-বেশি সব অনুষ্টানে হাজিরা দিতে গিয়ে হাপিয়ে উঠছি।








