সিপ্লাস ডেস্ক: জাতিসংঘে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে হত্যার পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
কর্তৃত্বপরায়ণ শাসক ও তাদের সমর্থকরা যেভাবে বিভিন্ন দেশে তাদের বিরোধীদের দমনের চেষ্টা করে, তার সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে হত্যার পরিকল্পনার মিল রয়েছে বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।
থাইল্যান্ডের এক অস্ত্র ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগসাজশে রাষ্ট্রদূত খিয়ো মো তানকে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিউ ইয়র্কে মিয়ানমারের দুই নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওই অস্ত্র ব্যবসায়ী আবার মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কাছে অস্ত্রও বিক্রি করেন।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করলেও রাষ্ট্রদূত খিয়ো এখনও জাতিসংঘে সেই সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
গত বুধবার রাষ্ট্রদূত রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং বিষয়টি জানার পর যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ড শনিবার বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিক, বিরোধী মতের লোকজনকে নিপীড়ন ও দমনে কর্তৃত্বপরায়ণ শাসক ও তাদের সমর্থকরা শান্তিভঙ্গের মাধ্যমে যেভাবে চেষ্টা চালায় তার সঙ্গে এর (হুমকি) মিল রয়েছে।”
এ প্রসঙ্গে টোকিও অলিম্পিকস থেকে নিজ দেশে ফিরতে অস্বীকৃতি জানানো ও পোল্যান্ডে আশ্রয় চাওয়া অ্যাথলেট ক্রিস্তিয়ানা সিমানোসকায়া এবং ইরানের সমালোচক এক সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের অপহরণের হুমকির ঘটনা টানেন রাষ্ট্রদূত টমাস-গ্রিনফিল্ড।
“এগুলো নিপীড়নের সামস্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা এবং এজন্য বিশ্বের উচিত তাদেরকে নিন্দা জানানো ও জবাবদিহিতার আওতায় আনা,” বলেন তিনি।








