Site icon CPLUSBD.COM

মুসলিমার স্বজন কচ্ছপিয়ার নূরুল হকসহ ২ পুত্র কোয়ারেন্টিনেঃ বাড়ি লকডাউন

কক্সবাজারে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মুসলিমার মেয়ের জামাই মৌলভী নুরুল হক ২ পুত্র সহ ৩ জনই নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে।

তারা রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা গ্রামের নিজ বাসভবনে রয়েছেন। একই সাথে তাদের বাড়িটিও লকডাউন করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে মুসলিমার করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা ব্যাপী তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। আর খবর রটে চিকিৎসার জন্যে যে মেয়েটি মুসলিমার পাশে ছিলো তিনি এ ফাত্রিকাটার বাসিন্দা মৌ : নুরুল হকের স্ত্রী-মুসলিমার মেয়ে।

খবর পেয়ে ২৫ মার্চ বুধবার সকালে ছুটে আসে রামু হাসপাতালের একটি মেডিক্যাল টিম। তারা বিষয়টি সরেজমিন পরিদর্শন শেষে নিশ্চিত হন ককসবাজারের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মুসলিামার সাথে তাদের আত্মীয়তা। আর তাদের সাথে নানাভাবে যোগাযোগে ছিলো এ পরিবারের।

মেডিক্যাল টিম প্রধান রামু উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক বিপ্লব বড়ুয়া জানান,তারা খবর পান মুসলিমার একাধিক স্বজন রামুতে রয়েছে। তন্মধ্যে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা গ্রামের হাজি ওয়াহেদ আলীর পুত্র মৌ :নূরুল হকও একজন। যাদের সাথে মুসলিমার ভালো সর্ম্পক ছিলো। এ কারনে মৌ: নুরুল হকের স্ত্রী শাফেয়া বেগম নিজ মায়ের জন্যে সেবা করেন বেশ ক’দিন । আর স্বাভাবিক করণেই তার (শাফিয়ার সাথে) সাথে পরিবারের অন্যান্যদের সাথে যোগাযোগ ও সর্ম্পক থাকার কথা।এসব বিবেচনায় রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র টিএইচও নোভেল কুমার বড়ুয়ার নির্দেশে তারা গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এখানে আসেন। খোঁজ খবর নেন। তারা সরেজমিন গিয়ে দেখেন মৌলভী নুরুল হক ও তার ২ পুত্র হাসান নাছেরুল্লাহ (২৫) ও ফাহিমুল হক ( ১৪) ফাক্রিকাটার নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। তারা সম্পৃর্ণ সুস্থ আছেন। তবে নিজ বাড়িতেই নিবিড়ভাবে হোম কোয়োরিন্টেনে। মেডিক্যাল টিম এদেরকেকে সরকারের নির্দেশিত পরার্মশ সহ বিস্তারিত দিক নির্দেশনা দিয়ে আসেন এ সময়।

মেডিক্যাল টিমের অন্যান্য সদস্যরা হলেন উপজেলা সহকারী স্বস্থ্য পরির্দশক বাবুল র্শমা,স্বাস্থ্য কর্মি ছুরত আলম ও আবদুল্লাহ সহ ৫ জন।

এ সময় এলাকার লোকজন ভীড়জমান,করোনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হোম করোয়ারেন্টিনে থাকার ঘটনা প্রত্যক্ষ করে। কর্তৃপক্ষ নিয়মিত এদেরকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন,যেন সমস্যা সৃষ্টি না হয়।