নিউজটি শেয়ার করুন

মেজর সিনহা হত্যা মামলা: প্রত্যক্ষদর্শী হাফেজ জহিরুলকে ওসি প্রদীপের আইনজীবীর জেরা

প্রত্যক্ষদর্শী হাফেজ জহিরুলকে ওসি প্রদীপের আইনজীবীর জেরা

সিপ্লাস প্রতিবেদক: টেকনাফের মেরিন ড্রাইভে পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর (অব.) মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকার্যের তৃতীয় দফায় দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

মঙ্গলবার(২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর পক্ষের আইনজীবী বাদীপক্ষের সাক্ষী এবং ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হাফেজ জহিরুল ইসলামকে জেরা করেন।

এছাড়া এদিন আরও তিন সাক্ষীর আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার কথা রয়েছে। তারা হলেন- সার্জেন্ট মোহাম্মদ আইযুব আলী, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আরএম ডা. মো. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী ও ডা. রণবির দেবনাথ।

এর আগে সোমবার সাক্ষ্য দিয়েছেন টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর গ্রামের মৃত ফজল করিমের ছেলে আবদুল হামিদ, মৃত লাল মিয়ার ছেলে মো. ফিরোজ ও মৃত সৈয়দ করিমের ছেলে শওকত আলী।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারী কৌঁসুলি ফরিদুল আলম বলেন, তৃতীয় দফার সাক্ষ্যগ্রহণ চলবে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রথম দিন সোমবার তিন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তাবলয়ে কারাগার থেকে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ-লিয়াকতসহ ১৫ জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় সেই সময় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা করে। এরপর মেজর সিনহা নিহতের ছয় দিন পর লিয়াকত আলী ও ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here