নিউজটি শেয়ার করুন

মোবাইল গেমস নিয়ে হত্যা, পলাতক আসামী কারাগারে

আদালত প্রতিবেদক: সাতকানিয়ায় মোবাইল ফোনে গেমস খেলার বিরোধকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে মো: আবদুল গনি রকি নামক এক কাঠমিস্ত্রি হত্যা মামলার পলাতক আসামী মাঈন ‍উদ্দিনকে (২৫) কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাঈন উদ্দিন সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বালার পাড়া এলাকার আবদুল গনির পুত্র।

১ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, সাতকানিয়ায় মোবাইল ফোনে গেমস খেলার বিরোধকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে কাঠমিস্ত্রি মো. আবদুল গনি রকি নিহত হওয়ার ঘটনায় ৩০ জুন বুধবার ভোরে কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাঈন ‍উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে সাতকানিয়া থানা পুলিশ।

আদালত সূত্রে জানা যয়, গত বুধবার দিবাগত রাতে মোবাইল ফোনে গেমস খেলার সময় সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের বারোদোনা বসুমতি দিঘীর পশ্চিম পার্শ্বে নির্মিতব্য রেল লাইনে কাঠমিস্ত্রি মো. আবদুল গনি রকিকে ছুরিকাঘাত করে আহত করা হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. আবদুল গনি রকি মারা যায়। নিহত কাঠমিস্ত্রি রকি হত্যা মামলার এই আসামী মাঈন উদ্দিন ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল। কক্সবাজারে অবস্থান করার বিষয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সাতকানিয়া থানা পুলিশ ৩০ জুন ভোরে অভিযান চালিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

জানা যায়, কাঠমিস্ত্রি রকি হত্যার ঘটনার অন্য ২ আসামী মো. শফিকুল আলম ও মো. সোহেলকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে  গ্রেপ্তার করা হয়। শফিকুলের দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও নিহত রকির মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল আলম ও সোহেল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। ওই সময় আজ কারাগারে প্রেরনকৃত আসামী মাঈন উদ্দিন পলাতক ছিল। মুলত: মোবাইল ফোনে গেমস খেলার বিরোধকে কেন্দ্র করে মূলত তারা তিনজনে মিলেই কাঠমিস্ত্রি আবদুল গনি রকিকে হত্যা করে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।