Site icon CPLUSBD.COM

যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং নগরীর নিমতলা পোর্ট কানেক্টটিং রোডে

যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং নগরীর নিমতলা পোর্ট কানেক্টটিং রোডে

সিপ্লাস প্রতিবেদক: নিমতলা পোর্ট কানেক্টটিং রোডে সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি দেখে এটি একটি ট্রাক স্ট্যান্ড মনে হলেও আসলে তা নয়। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করে মূল সড়ককে এভাবে ট্রাক স্ট্যান্ডে পরিণত করার অভিযোগ উঠেছে একটি সুবিধাভোগী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।    

ফলে নগরীতে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে যানজট। ঘটছে দুর্ঘটনা, বাড়ছে ভোগান্তি। মাঝে-মধ্যে ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন থেকে নগরীতে অভিযান চালানো হলেও অভিযানকারী দল চলে যাওয়ার পরপরই ফের দখল হয়ে যায় এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

প্রতিদিন বন্দর থেকে পণ্য খালাস ও বহনকারী ১০ থেকে ১২ হাজার ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান-লরি সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করে। প্রতিটি গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করে একটি সিন্ডিকেট চক্র এমন অভিযোগ চালকদের। এমনকি তাদেরকে টাকা না দিলে গাড়ি দাঁড়াতে দেয় না বলেও অভিযোগ করে চালকেরা। বাধ্য হয়ে তাদেরকে প্রতিটি গাড়ি প্রতিটি গাড়ি প্রতি চাঁদা দিতে হয় বলে দাবী চালকদের।    

এছাড়া আরেকটি চক্র নিমতলা বিশ্বরোড থেকে পোর্ট কলোনী পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে ফুটপাত দখল করে গিলে খেয়ে ফেলেছে অনেক আগে। এখন নেমেছে সড়ক দখলে। ফুটপাত দখল করে বছরের পর বছর ধরে গড়ে তুলেছে শতাধিক কাঠের দোকান,চায়ের দোকান, গাড়ী মেরামতের ওয়ার্কশর্প। যেখানে মূল সড়ক দখল করে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি  হচ্ছে বলে দাবী স্থানীয়দের।

এই রোডে নিয়মিত চলাচলকারী  নেজাম, মো. রিপন, সাকিবসহ অনেকেই সিপ্লাসকে বলেন, অফিসের কাজে প্রত্যেক দিন এই সরক দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু যত্রতত্র অবৈধ পার্কিয়ের কারণে আগ্রাবাদ থেকে ইপিজেড পর্যন্ত সড়কজুড়ে প্রতিদিনই যানজট লেগে থাকে। তাই অফিসে যাওয়া-আসায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় আমাদের।

তবে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পর আবারও পূর্বের মত ফিরে আসে দখলদাররা। এই অভিযান যেন ইঁদুর-বিড়াল খেলায় পরিণত হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে নিমতলা এলাকার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টি আই) আবদুল্লাহ সিপ্লাসকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর মোরশেদ আলীর সাথে যোগাযোগ করার জন্য।কিন্তু কাউন্সিল কার্যালয়ে গিয়ে দেখা তাকে না পেয়ে তার মুঠোফোনে একাধিক বার কল করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।     

প্রসঙ্গত, সিটি গভর্ন্যান্স প্রজেক্টের আওতায় জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকার অর্থায়নে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিমতলা থেকে অলংকার মোড় পর্যন্ত ৫ দশমিক ৭ কিলোমিটার সড়কটি সংস্কার ও সম্প্রসারণে কাজ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। নগরীর অতি গুরত্বপূর্ণ এই সড়কটি দখলমুক্ত ও যানজটমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে দাবী করছে এলাকাবাসী।