সিপ্লাস ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর অস্থিরতা (সহিংসতা) মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঞ্চলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদার করছেন ব্যবসায়ীরা। এজন্য তারা বিভিন্ন সিকিউরিটি ফার্ম থেকে নিরাপত্তা কর্মী ভাড়া নিচ্ছেন।এমন খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম ফক্স নিউজ।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক আইনপ্রয়োগকারী কর্মকর্তা ডেভিড কাটজ যিনি বর্তমানে নিউইয়র্কভিত্তিক একটি সিকিউরিটি ফার্ম গ্লোবাল সিকিউরিটি গ্রুপের স্বত্বাধিকারী। তিনি জানান, গ্রাহকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে কিভাবে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে। গ্রাহকরাও এ ব্যাপারে বেশ সতর্ক।
কাটজের পরামর্শ, প্রথমে সবচেয়ে বেশি দরকার স্বশরীরে নিরাপত্তা কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে হবে। কারণ, আপনাকে বুঝতে প্রার্থীর সমর্থনকারীরা অনেক কিছু নিয়েই উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারে। অবশ্যই এসব কিছুকে গুরুত্বসহ দেখতে হবে।
ভবন ও ব্যবসা রক্ষায় নিরাপত্তা কর্মী ও পাহারাদার নিয়োগে এলাকা ও কাজের সুবিধা ভেদে এক ঘণ্টার নিরাপত্তায় খরচ পড়তে পারে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার ডলার।
বিশেষ করে যারা আইনপ্রয়োগকারী বাহিনী থেকে অবসর নিয়েছেন তাদের প্রত্যেকে প্রতি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ ডলার করে দিতে হবে। তবে, আরও বিশেষ ও জরুরি চাহিদা পূরণে এই মূল্য ৬০ ডলারও হতে পারে। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে দুই পক্ষের লাভজনক অবস্থান নিশ্চিত একজন প্রহরীকে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ ডলার করেও দিতে হতে পারে।
তবে, দেশটিতে নিরাপত্তা কর্মীর চাহিদা ঠিক কি পরিমাণ বেড়েছে এর সঠিক কোন পরিসংখ্যান এখনও পাওয়া না গেলেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্বত্বাধিকারীদের তৎপরতা চোখে পড়েছে। যে কোন ধরনের অস্থিরতা থেকে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদারে অনেকেই ভবনের জানালাসহ গ্লাস দেয়া অংশে বাড়তি সুরক্ষা দিচ্ছেন।চালকদের মধ্যেও দেখি আইন মানার প্রবণতা বেড়েছে। সবমিলিয়ে কাপ্তাই রোডের এই উন্নতি আমাদের মতো যারা নিয়মিত যাত্রী, তাদের জন্য অনেক স্বস্তির কারণ হয়েছে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের অসহনীয় যানজট দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চট্টগ্রামবাসীর মাথাব্যথার কারণ। রাস্তার ওপর যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামাসহ চালকগণ কর্তৃক ট্রাফিক আইন মেনে না চলার প্রবণতাই মূলতঃ এই যানজটের প্রধানতম কারণ। শুধু তাই নয়, এই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের বেশিরভাগ চালক ট্রাফিক আইনের প্রাথমিক জ্ঞানটুকুও রাখেন না।
অভাব রয়েছে সড়ক শৃঙ্খলা সম্পর্কিত সচেতনতাবোধেরও। চালকদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে যানজটের পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনার হারও বাড়ছে দিনের পর দিন। এই ভ্রাম্যমাণ ট্রাফিক স্কুলের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হলে তা সড়ক শৃঙ্খলা ফেরাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ উত্তর চট্টগ্রামবাসীর।

