Site icon CPLUSBD.COM

যে কারণে সোলাইমানিকে হত্যা

মার্কিন হামলায় ইরানি বিপ্লবী গার্ডসের কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি ও ইরাকি কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিস নিহত হয়েছেন।

২০১৪ সালে তারা আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে। ইরাকে যুক্তরাষ্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বড় অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের।

আল-কুদসের প্রধান সোলাইমানি ইরাকে প্রতিবেশী ইরানের মূলপ্রতিনিধির কাজ করে আসছিলেন। সরকারবিরোধী বিক্ষোভসহ বিভিন্ন সময়ে তিনি ইরাক সফরে গিয়েছেন।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, কাসেম সোলাইমানির হত্যার হাত থেকে বিদেশে মার্কিন নাগরিকদের রক্ষায় চূড়ান্ত প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।

কিন্তু কীভাবে সোলাইমানি হত্যার পরিকল্পনা করেছেন, সে ব্যাপারে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি পেন্টাগন।

শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর বিশেষজ্ঞা ফিলিপ স্মিথ বলেন, ২০১১ সালে মার্কিন অভিযানে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন ও ২০১৯ সালে আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদীকে হত্যার চেয়েও সোলাইমানি হত্যার পরিণতি ভয়াবহ হবে।

মঙ্গলবার বাদগাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা ও ভাঙচুর চালায় হাশেদ গোষ্ঠী। এর আগে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে কাতায়েব হিজবুল্লাহর ২৫ সেনাকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া ইরাকে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে কয়েক দফা রকেট হামলার ঘটনায় ইরানকে দোষী করে আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তখন তিনি বলেছেন, তাদের অবশ্যই বড় খেসারত দিতে হবে। এটা কোনো হুশিয়ারি না, হুমকি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মার্ক এসপার বলেছেন, ইরান ও দেশটির সমর্থিত বাহিনী আরও হামলা চালাতে পারে বলে তাদের কাছে আভাস রয়েছে। কাজেই নাগরিকদের রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র আরও নিবৃত্তিমূলক হামলা চালাতে পারে।

কোনো ধরনের প্রমাণ ও নথি উপস্থাপন ছাড়াই সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সেখানে এমন কিছু আভাস পাওয়া যাচ্ছে যে তারা সম্ভবত আরও হামলার পরিকল্পনা করেছে। এটা নতুন কিছু না। গত দুই থেকে তিন মাস ধরেই আমরা এটা দেখে আসছি।

‘যদি সেটা ঘটে, তখনও আমরাও পদক্ষেপ নেব, যদি আমরা হামলার প্রতিশ্রুতি পাই, অথবা কোনো ধরনের আভাস, মার্কিন বাহিনী ও নাগরিকদের রক্ষায় আমরা নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ নেব,’ বললেন তিনি।