রাউজান প্রতিনিধি: মহামারী করোনার প্রাদূর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে একযোগে চলছে সরকার ঘোষিত লকডাউন। এই লকডাউনের সকল নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাউজানের শতবর্ষোত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলছে শতবর্ষী সেগুনগাছ নিধনের মহোৎসব।
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের মহামুনি এংলো পালি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনের পেছনে এইগাছগুলো কেটে ফেলা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের দক্ষিণমুখী ভবনের পেছনে পুকুর পাড়ের সুউচ্চ দুটি সেগুনগাছ, দুটি মেহগনি গাছ, দুটি গামারি গাছ সহ মোট ছয়টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সেখানে কথা হয় গাছ ব্যাপারী সোহেলের সাথে। তিনি বলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঞ্জন বড়ুয়া কাছ থেকে ১০ টি গাছ ২ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছেন।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক অঞ্জন বড়ুয়া বলেন, আমরা মিটিংয়ে মাধ্যমে গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। আমাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় টেন্ডার দিয়ে নয়টি গাছ ২লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করে দিয়েছি।
স্থানীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন বলেন, আমি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ইউএনও মহোদয় ও স্কুল সভাপতির রূপম কিশোর বড়ুয়ার সাথে কথা বলে কাটা গাছগুলো জব্দ করি।
চট্টগ্রামের সিআরবিতে শতবর্ষী শিরিষ গাছ রক্ষায় যখন চট্টগ্রামের নাগরিক সমাজ যখন আন্দোলন করছেন ঠিক তখনি রাউজান উপজেলার শতবর্ষোত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মহামুনি এংলো পালি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিক্রি করে দিলেন শতবর্ষ সেগুন গাছ সহ মেহগনি, গামারি গাছ কেটে ফেলায় সামাজিক বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।








