রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.সেলিমের বড় ভাই মো. খালেককে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে সাজা সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক প্রতারণা মামলায় পরোয়ানা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত খালেক মরিয়মনগর রশিদিয়া পাড়া এলাকার আলী হোসেনের ছেলে। তবে নির্বাচনী প্রতিহিংসা বশত হয়রানি করতেই তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে অভিযোগ চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিমের।
তিনি বলেন, জনগণের দাবীর মুখে আমি প্রার্থী হয়েছি। এলাকায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়েই আমাকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। বেশ কয়েকদিন ধরেই পুলিশ রাতে আমার ঘরে এসে আমাকে খোজাখুজি করেছে। এমনকি যেখানেই আমি প্রচারণা চালাতে যায় সেখানেই পুলিশ গিয়ে উপস্থিত হয়ে যায়। আমার ভাই একজন বড় ব্যবসায়ী। তার কোন মামলা আছে বলে আমার জানা নেই।’
রাঙ্গুনিয়া থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) মো. মাহবুব বলেন, গ্রেপ্তারকৃত খালেকের বিরুদ্ধে রাঙ্গুনিয়া থানায় ১টি সাজা সহ ৩টি, চট্টগ্রামের চান্দগাঁও ও ডবলমুরিং থানায় আরও পৃথক দুটি প্রতারণা মামলায় পরোয়ানা রয়েছে। তাই তাকে গ্রেপ্তারের জন্যই কয়েকদিন তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। অবশেষে শনিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য আগামি ৩০ডিসেম্বর মরিয়মনগর ইউপি নির্বাচন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মুজিবুল হক হিরু। অন্যদিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সদস্য ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. সেলিম আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। গত শনিবার সেলিম বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল।








