রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ সরফভাটার বিভিন্ন গ্রামে একাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপের বেপরোয়া কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় ও প্রবাসীদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক মাসিক চাঁদা আদায়, ডাকাতি, চুরি, গরু ছিনতাই, হামলা, মারধরসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে যাচ্ছে এসব সন্ত্রাসী গ্রুপ। এরফলে দক্ষিণ সরফভাটা ও সিরিঙ্গা এলাকার অন্তত দেড়শ পরিবার নিজেদের বসতভিঠা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু ভয়ে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না।
এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মূলে রয়েছে সন্ত্রাসী তোফায়েল, ওসমান, গলাকাটা কামাল, জামাল, বাইল্যেসহ একাধিক সন্ত্রাসের নেতৃত্বে গড়া সন্ত্রাসী দল। যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাইসহ ডজনখানেক মামলা। এরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর জেল থেকে বেরিয়ে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যায়।
সোমবার (২ আগস্ট) রাতে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে পুলিশের সাথে এলাকাবাসীর মতবিনিময়কালে সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী এসব কথা বলেন।
সরফভাটা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ওসি মো. মাহবুব মিল্কী।
মো. হাছানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন স্থানীয় নুরুল ইসলাম তালুকদার, খাইরুজ্জামান মেম্বার, মোহাম্মদ আলী মেম্বার, আবদুর সবুর, জাফর তালুকদার, আজিম সওদাগর, মো. ফারুক, মো. সেলিম, মো. আনছার, যুবলীগ নেতা জামাল উদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা মো. সেলিম, রহমত উল্লাহ, মো. সাকিব, মো. আরিফ প্রমুখ।
স্থানীয়রা জানান, বেপরোয়া সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে এলাকার মানুষ ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছে। জনস্বার্থে এবং এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকার জনসাধারণ।
এই বিষয়ে ওসি মো. মাহবুব মিল্কী বলেন, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সবসময় তৎপর রয়েছে। সরফভাটায় সক্রিয় সন্ত্রাসী গ্রুপ নির্মূলে এবং তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ আরও বেশি তৎপর ভূমিকা রাখবে। এক্ষেত্রে স্থানীয়দের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এলাকায় পুলিশি টহল জোরদারসহ পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনে উর্ধ্বতন মহলের কাছে জানানো হবে বলে তিনি জানান।








