রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনিয়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে আরো এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত আড়াইটার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তার নাম মো. পারভেজ (৩৫)। তার বাড়ি চন্দ্রঘোনা-কদমতলী এলাকায় হলেও তিনি চট্টগ্রাম শহরে থাকতেন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাঙ্গুনিয়ার গ্রামের বাড়িতে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন থানার এসআই মাহাবুব হোসেন। জানা যায়, গত শনিবার(২৩ মে) রাঙ্গুনিয়ায় ৩ ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এরমধ্যে ৩৫ বছর বয়সী পারভেজও ছিল। তার বাড়ি চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামে হলেও তিনি কয়েকবছর ধরে স্বপরিবারে চট্টগ্রাম নগরীতে থাকতেন। তিনি চট্টগ্রামের নগরীর অক্সিজেন মোড়ে একটি ঔষধের দোকান চালাতেন।
সম্প্রতি তার করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেলে নমুনা পরীক্ষা করান। এতে তার দেহে করোনা শনাক্ত হয়।
এরপর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। শেষে ওই অবস্থাতেই গতকাল রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এরআগে গত ১৫ মে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬৫ বছর বয়সী রাঙ্গুনিয়ার প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছিল।
তিনি মারা যাওয়ার ৬ দিন পর জানা যায়, করোনা আক্রান্ত হয়েই তিনি মারা গিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নে। রাঙ্গুনিয়ায় ২ মে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল। এখন পর্যন্ত রাঙ্গুনিয়ায় ৩৩ জনের দেহে করোনা শনাক্র হয়েছে। এরমধ্যে সরফভাটা এলাকার ২ জন নারী সহ ৬ জন, রাঙ্গুনিয়া থানার ২ জন এএসআই সহ ৪ জন, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী ও তাদের স্ত্রী-সন্তান সহ ১২ জন, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ২ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন, শান্তিরহাট ওয়াসা প্রজেক্টের একজন পুলিশের কনস্টেবল সহ ৪ জন, পারুয়ায় ১ জন মৃত সহ ২ জন, চন্দ্রঘোনা কদমতলী এলাকার ১ জন এবং এখন পর্যন্ত ১ জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এরমধ্যে অধিকাংশেরই দ্বিতীয় মেয়াদে নেগেটিভ আসে এবং ৩ জনের তৃতীয় মেয়াদে নেগেটিভ এসে সুস্থ হয়েছেন বলে জানা যায়।
খোঁজ না পাওয়া ব্যক্তির নাম আবদুল খালেক (৭৫)। নমুনা দেয়ার সময় মুঠোফোন নাম্বার দেননি, নামের সাথে ঠিকানা শুধু রাঙ্গুনিয়া দেন। তাঁকে খোঁজে নিতে কাজ করছে পুলিশ।








