নিউজটি শেয়ার করুন

রাঙ্গুনিয়ায় জিপিএ-৫ পিইসিতে ৫০৭, জেএসসিতে ৪৪

জেএসসি, জেডিসি এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৯ এর ফলাফলে রাঙ্গুনিয়ায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার বেড়েছে। জেএসসি পরীক্ষায় রাঙ্গুনিয়ার ৪১টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪ হাজার ৫১৩ জন। পাসের হার ৭৭.১০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন শিক্ষার্থী। জেডিসিতে উপজেলার ১৫টি মাদ্রাসার ৭৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৬১৪ জন। পাসের হার ৮২.৩০ শতাংশ। জেডিসিতে কোন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।

অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) উপজেলার ১৯৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৪০৩ জন বালক ও ৩ হাজার ১৯৯ জন বালিকা অংশ নিয়েছে। এরমধ্যে পাস করেছে ২ হাজার ৩৫২ জন বালক এবং ৩ হাজার ১৬২ জন বালিকা। পাসের হার ৯৭.৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৪ জন বালক ও ৩২৩ জন বালিকা সহ সর্বমোট ৫০৭ জন পরীক্ষার্থী। এছাড়া ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উপজেলার ১৮টি মাদ্রাসার ৬৯২ জন বালক ও ৫২০ জন বালিকা অংশ নিয়েছে। পাসের হার ৯৮.৩৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ জন বালক এবং ৬৪ জন বালিকা সহ সর্বমোট ১০১ জন শিক্ষার্থী।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পাসের হারের দিক থেকে রাঙ্গুনিয়া পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ উপজেলায় প্রথম হয়েছে। তাদের ৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন এবং পাসের হার ৯৬.২৫ শতাংশ। তবে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে সরফভাটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়। তাদের ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে জেডিসিতে পাসের হারের দিক থেকে রাঙ্গুনিয়া নূরুল উলুম কামিলা মাদ্রাসা উপজেলায় প্রথম হয়েছে। তাদের ৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৭.২২ শতাংশ। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহির উদ্দিন বলেন, পাসের হার এবং জিপিএ-৫ বিবেচনায় উপজেলায় প্রথম হয়েছে বিআইজেডএইচ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির ৭৬ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে।

এ ছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের ৩১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া উপজেলায় শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। এবার ১৩৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।