রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনিয়ায় নামাজরত অবস্থায় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতির উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের পূর্ব বেতাগী মির্জাখীল শাহী জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে।
আহতের নাম আবদুল হাকিম (৫৫)। তিনি ওই এলাকার আবদুল খালেকের ছেলে এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।
মসজিদের জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা যায়।
এদিকে এই ঘটনায় এলাকা জুড়ে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
হামলাকারীদের শাস্তির বাদীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন মুসল্লি ও এাকাবাসীরা।
শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে মসজিদের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নিয়েছে এলাকার কয়েক শতাধিক মুসল্লি ও এলাকাবাসী।

পরে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মো. ফজলুল কাদের।
বক্তব্য দেন মসজিদ কমিটির শাহজানুল হক মাহবুব, রফিকুল কদর, আজিজুল হক, নজরুল ইসলাম, আবু তাহের, ফজলুল কাদের, আবদুল মান্নান দফাদার, খোরশেদ আলম, জসিম সওদাগর প্রমুখ।
হামলার শিকার আবদুল হাকিম জানান, মসজিদের জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় আবদুল হক গংদের সাথে মসজিদ কর্তৃপক্ষের বিরোধ চলছিল। এই বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে এবং একটি মামলায় মসজিদের পক্ষে রায়ে আদালত মসজিদের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করে বহিরাগত মানুষ এনে মসজিদের জায়গা কিছু স্থাপনা নির্মাণ করে। মসজিদ কর্তৃপক্ষ এর প্রতিবাদ করেও মসজিদের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ ঠেকাতে পারেনি। এদিকে এই ঘটনায় গত ৬ অক্টোবর রাত সোয়া ৯টার দিকে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল হাকিম মসজিদে নামাজ পড়তে প্রবেশ করে। এসময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নামাজরত অবস্থায় তার উপর দেশীয় অস্ত্র হাতে অতর্কিতভাবে হামলা চালায় প্রতিপক্ষরা। হামলায় তার মাথা, চোখসহ সমস্ত শরীরে গুরুতর যখম হয়। পরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এদিকে এই ঘটনায় উল্টো আহত আবদুল হাকিমের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে আদালতে তিনি এই ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন বলে হাকিম জানান।
তবে এই বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিপক্ষ আবদুল হক এই ঘটনা সাজানো এবং তাদের বিরুদ্ধে এটি মিথ্যা অপপ্রচার বলে দাবী করেন।
এই বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মো. মাহবুব মিল্কী বলেন, এই বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।








