রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনিয়ায় মো. আবদুল খালেক (৩৮) নামে এক কাঠ ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে পিঠানোর ঘটনায় থানায় ১২ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের হয়েছে।
সোমবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন আহত কাঠ ব্যবসায়ীর চাচাত ভাই মুসলিম সিকদার।
মামলার পর রাতেই পুলিশ মো. আজিম উদ্দিন সিকদার (২৫) নামে এজাহারভুক্ত এক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে।
মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আহত ব্যবসায়ীর বাড়ি দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সিকদারপাড়া এলাকায়।
মামলার প্রধান আসামীর নাম আবদুস সালাম সিকদারও একই এলাকার ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি। তাকে গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন আহতের স্বজনরা।
আহত আবদুল খালেকের চাচাত ভাই ও মামলার বাদী মুসলিম সিকদার বলেন, “আবদুল খালেক সোমবার দুপুরের দিকে রাজার হাট থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে রাজারহাট বাজারে ইউপি সদস্য আবদুস সালামসহ ১২ থেকে ১৩ জন লোক দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন বাজারের রাস্তা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। গত বছর আবদুস সালাম সিকদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার সাক্ষী ছিল আবদুল খালেক। এর জের ধরে তাঁকে দলবেঁধে মারধর করা হয়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিয়ে ভর্তি করা হয়।”
এদিকে ব্যবসায়ী আবদুল খালেকের উপর হামলার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে। ১০ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায় দল বেঁধে কয়েকজন লোক হাতে থাকা সরঞ্জামাদি দিয়ে ওই ব্যক্তিকে মারধর করছেন। জোরে জোরে চিৎকার করছেন তিনি। ভিডিওটি মূহুর্তেও ফেসুবকে ছড়িয়ে যায়। অনেকেই শেয়ার করেন মন্তব্যও করেন।
রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব মিলকী বলেন, “মামলার পর এজাহারভুক্ত এক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও ধরতে অভিযান চলছে।”









