চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোপূজার মহানবমীতে সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে ভক্ত-দর্শণার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। নীল কণ্ঠ, নীল অপরাজিতা, বেল পাতা দিয়ে যজ্ঞের মাধ্যমে এদিন দেবী দূর্গার কাছে আহুতি দেন ভক্তরা। বিসর্জনের আগের রাতে মহানবমীতে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন মন্ডপে মন্ডপে বেড়েছে ভক্ত-দর্শণার্থীদের আনাগোনা। সব সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে উপজেলার দুর্গোৎসবের প্রতিটি পূজামন্ডপ।
উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া, হোছনাবাদ, চন্দ্রঘোনা, পোমরা, সরফভাটা, পদুয়া সহ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১৫৭টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুর্গাপূজা। এসব মন্ডপে ধর্মীয় উপাসনার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। মন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদলের পাশাপাশি দিনরাত ২৪ ঘন্টা পুলিশি টহল ছিল লক্ষনীয়। এছাড়াও রাঙ্গুনিয়ার সাংসদ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের নির্দেশনায় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শন করে পূর্জাঅর্চনার খোজখবর নেন।
এসময় নেতৃবৃন্দ পূজামন্ডপে তথ্যমন্ত্রীর পক্ষে আর্থিক অনুদান হস্তান্তর করেন। সোমবার মহানবমীতে পৌরসভার বিভিন্ন পুজামন্ডপ পরিদর্শন করেন রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল। এসময় তিনি রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার দক্ষিন নোয়াগাঁও ফকিরখীল বানী অর্চনা সংঘ, গোচরা মহামায়া যুব সংঘ ও গীতালয় সেবা সংঘের পূজা মণ্ডপ সহ বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শন করেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন কাউন্সিলর নুরুল আবছার জসিম, সাংবাদিক জগলুল হুদা, নূর মোহাম্মদ, স্বপন বড়ুয়া খালু, ছাত্রলীগ নেতা ইউসুফ রাজু, মো. ইকবাল, মো. হেলাল প্রমুখ। দশমীর দিন বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সনাতন ধর্মালম্বীদের দূর্গাউৎসব। আশেপাশের পুকুর ও খালের পাশাপাশি কর্ণফুলী নদীতেও দূর্গা প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। ছবির ক্যাপশন : রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার পূজা মÐপে তথ্যমন্ত্রীর পক্ষে আর্থিক অনুদান হস্তান্তর করছেন প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ সেলিম।








