রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি : রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ফলাহারিয়া গ্রামের সনাতনী সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের পুরাতন শ্মশান দখল ও ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে কাপ্তাই সড়কের উপজেলা সদরের ইছাখালী এলাকায় এই বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে উপজেলা কেন্দ্রিয় পূজা উদযাপন পরিষদ।
আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে এদিন শতাধিক পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি শৈবাল চক্রবর্তী। পোমরা ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীর চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুপায়ন সুশীল, পূজা পরিষদ নেতা টিবলু নাথ, অনুজিৎ দে, শিবু চক্রবর্তী, প্রিয়তোষ কান্তি দে, সুবেল দেব, মানিক কান্তি দাশ, হৃদয় দাশ, পরিমল দাশ, শিপন সাহা, সুমন দে, অভি দাশ, সুকান্ত দাশ, রামপ্রদ দাশ, পুলক দত্ত, বিজয় নন্দী, রুবেল দত্ত, শয়ন দত্ত, উষ্ণা দাশ, সমীরণ দত্ত, সমীর মহাজন, নয়ন মহাজন, উজ্জ্বল দে, রুবেল দে, রাজু দে প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পদুয়া ইউনিয়নের ফলাহারিয়ায় বিতর্কীত বৌদ্ধ ভিক্ষু শরণংকর থের এর ইন্ধনে হিন্দু সম্প্রদায়ের একমাত্র শ্মশান দখল ও ভাংচুর করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হলেও এখনও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্তরা। বরং ফলাহারিয়ায় এখনও হিন্দু সম্প্রদায়ের জনসাধারণকে ক্রমাগত হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। মানববন্ধন থেকে শ্মশান দখল ও ভাংচুরের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানানো হয়।
এছাড়া এই ঘটনার ইন্ধনদাতা শরণাংকর ভান্তেকে রাঙ্গুনিয়ায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করে তাকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী করা হয়। অন্যথায় আরও বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে বলে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারি প্রদান করেন।
উল্লেখ্য প্রতিবাদী হিন্দু সমাজ পদুয়ার আয়োজনে ইতিপূর্বে পদুয়া দশ মাইল মুক্তিযোদ্ধা বাজারেও একই দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই বিষয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন সহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।








