নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনৈতিক নেতা পরিচয় দিলেও এর আড়ালে তিনি ছিনতাইকারী দলের সদস্য

সিপ্লাস ডেস্ক: মো. মুসলিম খান রনি, সবাই তাকে চেনেন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে। পরিচয় দিতেন পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হিসেবে। চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছা সেবকলীগের কর্মী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন নিয়মিত। সংগঠনটির নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে সেসব ছবি প্রচার করেন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতা পরিচয় দিলেও এর আড়ালে তিনি ছিনতাইকারী দলের সদস্য। রাজনীতির আড়ালে ছিনতাই হলো তার পেশা।

এ বিষয়ে উঠে এসেছে তার নিজের স্বীকারোক্তিতে। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে রনি জানিয়েছেন, কীভাবে ব্যাংক ফেরত মানুষের কাছ থেকে পথরোধ করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

জানা যায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার ১০ মিনিটের দিকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে এনায়েত বাজার মোড় থেকে রিকশাযোগে জিইসি মোড় যাচ্ছিলেন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভিসেস এর অফিস সহকারী মিরাজুল ইসলাম। বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটের দিকে কোতোয়ালী থানাধীন আলমাস সিনেমা হল মোড় ও ওয়াসা মোড়ের মাঝখান বরাবর পৌঁছালে একটি সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে কয়েকজন তার পথরোধ করে।

মিরাজুল ইসলামকে জোর করে রিকশা থেকে নামিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে তার চাবি, মোবাইল ফোন ও সঙ্গে থাকা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেয় তারা। মিরাজুল ইসলামকে সিএনজি অটোরিকশায় নিয়ে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কদমতলী ফ্লাইওভারের মাঝখানে বরাবর তাকে নামিয়ে দেয়। সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামিয়ে দেওয়ার সময় চাবি ও মোবাইল ফোন ছুঁড়ে ফেলে দেয়।

এ ঘটনার পর কোতোয়ালী থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী মিরাজুল ইসলাম।  পরে গত ৮ অক্টোবর রাতে মুরাদপুর হামজা খাঁ লেইনের বাসা থেকে কোতোয়ালী থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি। বর্তমানে কারাগারে আছেন রনি।