হাবিবুর রহমান সোহেল,রামু: সারাদেশের ন্যায় রামু ও নাইক্ষ্যংছড়িতে ইউনিয়ন ভিত্তিক কোভিড ১৯ টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (৭ আগষ্ট) পৃথকভাবে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায়, রামু ১ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ নোবেল বড়ুয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই করোনার টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমা।
এসময় ইউএনও বলেন, করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষার জন্য টিকা একান্তই প্রয়োজন। তাই কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে জীবন রক্ষায় সবাইকে টিকা দেয়ার জন্য তিনি আহবান জানান।
রামু স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ নোবেল জানান, রামুর ১১ ইউনিয়নে ৩৩টি ওয়ার্ড়ে যারা করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রশন করেছে তাদের বিনামুল্যে এই টিকা প্রদান করা হবে।
এদিকে, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত জনপদে গণটিকা দেওয়ার কর্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯ টায় শুরু হওয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ৫ টি কেন্দ্রের প্রতিটি তে ৩ টি করে মোট বুথ ছিল ১৫ টি । এসবের প্রত্যেকটিতে ২০০ করে টিকা দেযা হযেছে। তবে নেট সমস্যামান ৩ ইউনিয়নে ৩ এলাকাতে তালিকাতেই টিকা দেয়া হযেছে ।
এ উপজেলার ৫ ইউনিয়নে কাযর্ক্রম পরিদর্শন করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নিবার্হী অফিসার সালমা ফেরদৌস ও নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতাল প্রধান (টিএইচ) ডা:এ জেট এম ছলিম।
ডা: এ জেড এম ছলিম বলেন,উপজেলায় ইউনিয়ন রয়েছে ৫ টি। তন্মধ্যে নেটওয়ার্ক নেই ৩ ইউনিয়নে। এ তিন ইউনিয়ন হলো ঘুমধম,সোনাইছড়ি ও দৌছড়ি। এ সব ইউনিয়নে শুধু তালিকা করেই দেযা হয়েছে এ গণটিকা। তিনি আরো বলেন, শনিবার গণটিকা কাযর্ক্রম সূশৃংখলভাবে শেষ হযেছে। কোন সমস্যা হয় নি।
বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম কোম্পানী বলেন তার ইউনিয়নের ১ নম্বর (পুরোনো) ওয়ার্ড়ের ৬ শত লোককে টিকা নিয়ে ফিরেছেন স্ব-স্ব বাড়িতে।
গণটিকা গ্রহনকারী মংচিন মার্মা,হানিফ মিযা ও কামাল ছিদ্দিক বলেন,তারা বিনা সমস্যায় টিকা কেন্দ্রে গিযে টিকা দিতে পেরেছেন। প্রচন্ড বৃষ্টিতে লোক জন প্রচুর ছিলো।








